ফতুল্লায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীর শরীর ঝলসে দিল স্বামী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লার সৈয়দপুর এলাকায় যৌতুকের জন্য স্ত্রীর শরীর গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়েছে স্বামী ও তার পরিবার। এই ঘটনায় ফতুল্লা থানায় মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।

ভুক্তভোগী নাদিয়া ইসলাম মেঘলার অভিযোগ গত ১৮ আগস্ট যৌতুক না দেয়ায় মেঘলার স্বামী হুমায়ুন কবির, তার পিতা নুরুল ইসলাম, বোন হেনা আক্তার ও ঝূনূ আক্তার, শাশুড়ি নসিমুন ও ফৈরদৌসী হত্যার উদ্যেশ্যে নাদিয়াকে নির্মম নির্যাতন চালায়। এতে মারাত্মক আহত হন মেঘলা। নারায়ণগঞ্জ সদর থানা পূলিশ সংবাদ পেয়ে নাদিয়া ইসলাম মেঘলাকে উদ্ধার করে জেলার ভিক্টোরিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

পরবর্তীতে ফতুল্লা থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে মামলার এক নং আসামী হুমায়ুন কবিরকে গ্রেফতার করে আদালতে প্রেরণ করলে আদালত জেলহাজতে পাঠায়। অন্যান্য আসামীরা এখনও গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। অন্যান্য আসামীদের দ্রুত গ্রেফতার দেখতে চান সচেতন এলাকাবাসী।

ভুক্তভোগী নাদিয়া বলেন, শহরের সদর থানাধীন সৈয়দপুর ফকির বাড়ী সংলগ্ন বাড়ীরটেক এলাকার মোঃ হুমায়ূন কবিরের সাথে আমার গত বছর বিবাহ হয়। আমার মা বিবাহের সময় নগদ দুই লক্ষ টাকা ও তিন ভরি স্বর্ন দিয়ে দেয়। বিবাহের দুই তিন মাস পর শশুড়বাড়ীর লোকজন আরো তিন লক্ষ টাকা ও ঘরের আসবাবপত্র চেয়ে তাকে শারিরিক ও মানুষিক নির্যাতন করা শুরু করে। যৌতুক দিতে অস্বীকার করায় তারা মারপিট করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফুলা জখম করে।

গত ১৮ আগস্ট মেঘলার শশুড়বাড়ীর লোকজন যৌতুকের টাকা নিয়ে আসার জন্য চাপ দিতে থাকে। যৌতুকের টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তার স্বামী, শশুড়-শাশুড়ী ও ননদ মিলে অমানুষিক অত্যাচার চালায়। মেঘলার গলা চেপে শরীরে গরম পানি ঢেলে দেয় যার ফলে শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়।

এই ব্যপারে ফতুল্লা থানায় যোগাযোগ করা হলে পুলিশ জানায়, পুলিশ কয়েক জন আসামীকে গ্রেফতার করেছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। খুব শীঘ্রই তাদেরকেও আইনের আওতায় নিয়ে আসা সম্ভব হবে বলে আশাবাদ জানান তারা।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin