ফতুল্লার ভোলাইলে গার্মেন্টস কর্মীকে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

সদর উপজেলার ফতুল্লার ভোলাইলে মুক্তিপণ আদায়ে ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীসহ অপর এক গার্মেন্ট শ্রমিককে আটকে রেখে মুক্তিপণ দাবির অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা পলাশ দাসকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা থানা পুলিশ।

অপহরনের স্বীকার গার্মেন্টস কর্মীর বড় বোন নাসরিন খাতুনের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাত ৮ টার দিকে গার্মেন্টস ছুটি হওয়ার পর তার ছোট বোন সোহানা খাতুন জিসান নামক তার এক সহকর্মীকে নিয়ে বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনের রাস্তা থেকে জোরপূর্বক তাদেরকে স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতা পলাশ দাস ও তার অনুসারীরা ভোলাইল শান্তিনগরস্থ একটি রিক্সার গ্যারেজে নিয়ে যায়। সেখানে তাদেরকে আটকে রেখে আটক গার্মেন্টস কর্মীর মোবাইল ফোন দিয়ে তার বোনকে অন্য ছেলের সাথে আটকের কথা জানায়। আটক গার্মেন্টস কর্মীর বোন ঘটনাস্থলে ছুটে গেলে ছোট বোনের মুক্তিপণ বাবদ বিশ হাজার টাকা দাবী করে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা ও তার অনুসারীরা।

টাকা দিতে আপারগ হওয়ায় গার্মেন্টস কর্মীর বড় বোন ফতুল্লা থানাকে অবহিত করে। ঘটনা আমলে নিয়ে ফতুল্লা থানার একটি টিম ভোলাইল এলাকায় অভিযান চালিয়ে পলাশ দাসকে আটক করে এবং অপহরনের স্বীকার দুই গার্মেন্টস কর্মী সোহানা এবং জিসানকে উদ্ধার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পলাশ দাসের বাকি সহ যোগীরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানার ভারপ্রাপ্ত ওসি রকিবুজ্জামান জানান, অপহরনের স্বীকার গার্মেন্টস কর্মীর বোনের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফতুল্লা থানা পুলিশের একটি টিম অপহৃতদের উদ্ধার এবং অভিযুক্ত একজনকে আটক করে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা করা হয়েছে এবং বাকী আসামীদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin