প্রভাবশালী অন্যায় করছে, আমরা প্রতিবাদ করতে পারছি না: আনোয়ার

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেন বলেছেন, আমরা এখন সত্য কথা বলতে সাহস পাই না। আজ প্রভাবশালী প্রতাপশালী যখন অন্যায় করছে, তখন আমরা প্রতিবাদ করতে পারছি না। বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হলে এদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বদৌলতে মহিলাদের এক শ্রেণী রূপ ধারণ করেছে। মহিলারা আজ প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, জেলা প্রশাসক হয়েছে। এরপাশাপাশি পুলিশ প্রশাসনের এসপি হয়ে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর মত চৌকস অফিসার দায়িত্ব পালন করছে।

ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ দিবস উদযাপন উপলক্ষে রোববার (৭ মার্চ) সকাল ১০টায় মর্গ্যান স্কুল এন্ড কলেজের আনোয়ার হোসেন মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও বিশ্ব প্রামাণ্য ঐহিত্য প্রদর্শন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মর্গ্যান স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এস এম আহসান হাবিব, মর্গ্যান স্কুল এন্ড কলেজের গভনিং বডি সদস্য মোশাররফ হোসেন জনি, মর্গ্যান স্কুল এন্ড কলেজের সহকারী শিক্ষক লায়লা আক্তার প্রমুখ।

আনোয়ার হোসেন আরো বলেন, আমার তো হোন্ডাওয়ালা গুন্ডা বাহিনী নাই। তাই আমি যেখানে যাই, একা যাই। ভয়ে রাজনীতি করি নাই, আগামীতেও করবো না। বঙ্গবন্ধু আদর্শে শেখ হাসিনার নিদের্শে রাজনীতি করি, কারো কাছে মাথানত করে নয়। আর যারা গুন্ডা হোন্ডা নিয়ে নেতার কাছে যায়, তারা সমাজের জনপ্রিয় নেতা হয়ে যায়। তখন তারা বলে আনোয়ার হোসেনের পাশে কোন মানুষজন থাকে না। আমি আনোয়ার হোসেন মানুষের কল্যাণে রাজনীতি করি। তাই সমাজকে সুন্দর করে তুলতে আগামীতে হোন্ডাওয়ালা গুন্ডাদের নেতাকে ভোট দিবেন না। বর্তমান সরকার মাদক ও সন্ত্রাস বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

তিনি বলেন, ৭ই মার্চ দেওভোগের মধ্যবিত্ত পরিবারের আমি জন্ম লাভ করে ছিলাম। আমি ইন্টার মেডিটের ছাত্র যখন, কঠিন অভিভাবকের শাসনে লালন পালনে বড় হয়েছি। তখন শুধু পাঠাগারে গিয়ে বই ও পত্রিকা পড়া অনুমতি ছিলো। আমার সেজো ভাই-কে অনেক অনুরোধ করে ঢাকা রেসকোর্ট ময়দানে নিয়ে যাই, ৭ই মার্চের সেই আলোচিত ভাষণ শুনার জন্য। রেসকোর্স ময়দানে যখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আসেন, তখন তার চেহারা ফিগার দেখে আমি মুগ্ধ হয়ে যায়। মানুষের ভিড়ের কারণে ইঞ্জিনিয়ার ইনষ্টিটিউটের পাশে দাড়িয়ে ছিলাম আমরা। নিজের চোখের সামনে তার এই বক্তব্যে বাংলাদেশ স্বাধীনতা হওয়ার সৃষ্টি শুরু হয়।

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin