পুলিশের পক্ষে একা হকার মুক্ত করা সম্ভব নয়ঃএসপি জায়েদুল

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মুন্সিগঞ্জের লোকসংখ্যার চেয়ে নারায়ণগঞ্জের হকার বেশি। কোন পুলিশ যদি হকারদের থেকে টাকা নেয়, সে নারায়ণগঞ্জে থাকবে না। কিছু ফুটপাতের নেতা আছে আমার কাছে যায়, তাদের আমি বের করে দিয়েছি। নেতা-এসপির নামে টাকা নেয়, তারা নিজেরাই ছিন্নমূল, হকারদের আবার নেতা কিসের। অতীতে মনিরুল-হারুন স্যার অনেক চেষ্টা করেছেন, আমিও ১০ মাসে চেষ্টা করেছি হকার উচ্ছেদের জন্য। পুলিশের পক্ষে একা হকার মুক্ত সম্ভব নয়। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ফুটপাত হকারমুক্ত সম্ভব। এখানে আমাদের মহানগর আওয়ামী লীগের শাহ নিজাম রয়েছেন, আমি মনে করি তারা চাইলে অবশ্যই হকার মুক্ত হবে।

৩ অক্টোবর (মঙ্গলবার) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় ওপেন হাউস ডে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার(এসপি) মোহাম্মদ জায়েদুল আলম।

এসপি জায়েদুল বলেন, আমাদের সময়ে দেখতাম স্কুল কলেজের আশেপাশে বখাটে ঘুরতো। হাতে লোহার শিকলসহ নানা কিছু থাকতো তাদের বখাটে বলতাম। এখন এমন যুগ সবার ছেলের চুল ডুপ্লেক্স কাটিং। স্টাইলিশ দাঁড়িসহ নানা স্টাইল, আর ডিজিটাল ডিভাইস মোবাইল নিয়ে সারাদিন কি যে দেখে বুঝি না। সকলের চালচলন এক, সমাজের যে ভালো লোক তার ছেলেও ওমন। আজকাল সবার ছেলেই মাদক খায়, তারাই কিশোর গ্যাংয়ে পরিণত হচ্ছে। আমার পুলিশ সদস্যর চুল নিয়ে আমি কমান্ড করি, কেটে আমার কাছে রিপোর্ট করে। বাবা-মা, সমাজ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজকে এগুলো দেখতে হবে। অনেকে আন্দে রাসেলের মুরগি কাটিংয়ের মতো চুল কাটে, আরে বাবা তুমি তো আন্দে রাসেল না, মাশরাফির মতো দাঁড়ি কাটিং করে, তুমিতো মাশরাফির মতো এমপি ক্রিকেটার না। আমার মতো ১’শ এসপি দিলেও কিশোর গ্যাং কমবে না।

ধর্ষণ প্রসঙ্গে এসপি জায়েদুল বলেন, গত ১০ মাসে ১০১টা ধর্ষণ মামলা রেকর্ড করছি। এর মধ্যে ৪০ জনই অবিবাহিত নারী যাদের আরেকজনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কেউ দেখে ফেলায় ধর্ষণ মামলা দেয়া হয়েছে। এরকমই প্রায় ৮৪টা। বাকি ১৮-২০টা আছে যেগুলো ধর্ষণ হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে এমন একটাও নেই যাদের গ্রেপ্তার করে আইনের কাছে দেই নাই। কোন ধর্মে আছে বিয়ের আগে শারীরিক সম্পর্ক করার কথা? ১৮ বছরের নিচে যারা আছে প্রেম করে শারীরিক সম্পর্ক করে পরে সব দোষ পুলিশের হয়। পুলিশ যদি জানতো গিয়ে বলতো কে কে প্রেম করো শারীরিক সম্পর্ক কইরো না। পরিবার সমাজকে আরও দায়িত্বশীল হতে হবে। যে ছেলে একাধিক মেয়ের সাথে সম্পর্ক করে যখন কাউকে পায় না জোড় করে তখনই সে ধর্ষণ করে। আমরা যদি ধর্ষণ ও কিশোর গ্যাং মুক্ত করতে না পারি, এটা মহামারী আকার ধারণ করবে।

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin