পুরাতন বাইক কিনতে সতর্কতা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মোটরবাইকের জনপ্রিয়তার বিষয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। প্রতিদিনই শখ আর প্রয়োজনের মিশেলে বাড়ছে এর ব্যবহারকারীর সংখ্যা। তবে সাধ্য আর প্রয়োজন বা শখের মাঝে সমন্বয় ঘটাতে অনেকেই পুরাতন মোটরবাইক কেনেন। পুরাতন বাইক কেনার ক্ষেত্রে অবশ্যই ক্রেতাকে কিছু বিষয় সতর্ক হতে হবে। অন্যথায় বাইক হয়ে উঠবে আপনার ঘাড়ের উপর উটকো বোঝা।

পুরাতন বাইকের ক্ষেত্রে প্রথমেই যে বিষয়টি সামনে আসে, তা হলো দাম। সাধারণত এক্সটার্নাল এবং ইন্টারনাল মেকানিক্যাল কন্ডিশনের উপর নির্ভর করে বোঝা যায় মোটর সাইকেলটি কতদিন ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি কত মাইলেজ পথ চলেছে। পুরাতন বাইকে কতদূর পর্যন্ত চালানো হয়েছে মিটারে তার হিসেব থাকে। এসবের উপর ভিত্তি করে একই কোম্পানির ওই মডেলটি বাজারে নতুন কতটাকায় বিক্রি হচ্ছে? এসব বিবেচনায় নির্ধারণ করা হয় পুরাতন বাইকের দাম। এসবের সঙ্গে ক্রেতার বাজেট আর বিক্রেতার চাহিদার সমন্বয় ঘটলেই অর্থের বিনিময় হস্তান্তর বা ক্রয়-বিক্রয় হয় একটি পুরাতন বাইক।বাইকের যান্ত্রিক পরিস্থিতি বুঝতে একজন দক্ষ বাইকার বা একজন মেকানিককে সঙ্গে নিলে ভালো। এতে করে তিনি বাইকটি একবার চালালেই বুঝতে পারবেন কি কি সমস্যা আছে বা আদৌ কোনো সমস্যা আছে কিনা। বিক্রেতার বক্তব্য আর বাইকের বাস্তবতার মিল কতটুকু সেটিও নিশ্চিত হওয়া যাবে। প্রয়োজনে বাইকটি বিক্রেতার সম্মতি নিয়ে একজন এক্সপার্টকে দেখানো যেতে পারে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin