নিয়াজুলের মামলায়,আইভী সমর্থক ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন, তদন্তের নির্দেশ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

প্রকাশ্যে পিস্তল উঁচিয়ে সিটি করপোরেশনের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী ও তাঁর সমর্থকদের ওপর হামলাকারী যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলাম খানের মামলার আবেদন নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশকে তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দিতে আদেশ দিয়েছে আদালত।

আগামী ২২ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানী অনুষ্ঠিত হবে। মামলার আর্জিতে নিয়াজুলকে মারধর, ২ লাখ টাকা ও ১ ভরি স্বর্ণ লুটের অভিযোগ আনা হয়।

২১ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাহমিদা খাতুনের আদালত এ আদেশ দেন। এর আগের দিন ২০ ডিসেম্বর রোববার নিয়াজুল ইসলাম একই আদালতে মামলার আবেদন করেন।

বিবাদীরা হলেন ক্রমানুসারে আবু সুফিয়ান (জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক), মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ (সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর), অসিত বরণ বিশ্বাস (১৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর), কামরুল হুদা বাবু (শহর যুবলীগের সহ সভাপতি), কবির হোসাইন (কাউন্সিলর ১৮নং ওয়ার্ড), আহমেদ আলী রেজা উজ্জল (মেয়র আইভীর ভাই ও শহর যুবলীগের সেক্রেটারী), আমিনুল ইসলাম (ইতোমধ্যে মারা যাওয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার), সাংবাদিক মাসুম (নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মাহাবুবুর রহমান মাসুম), জাহাঙ্গীর আলম (জেলা পরিষদের সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক), সরকার আলম (যুবদল নেতা), হাজী নেওয়াজ, সৈকত মেম্বার, মোতালিব, ফারুক ও লিপু, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিনহাজুল কাদির মিমন ও মো. হান্নান।

২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারী হকার উচ্ছেদ নিয়ে শহরে হকারদের সঙ্গে মেয়র আইভী সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সেদিন আইভী নিয়াজুল সহ আহত হয় অর্ধশত। সংঘর্ষের সময়ে চাষাঢ়ায় সায়াম প্লাজার সামনে প্রকাশ্যে বেধড়ক মারধর করা হয় নিয়াজুলকে। এসমত খোয়া যায় নিয়াজুলের লাইসেন্স করা অস্ত্র। পরে সেটা উদ্ধারও হয় পরিত্যাক্ত অবস্থায়।

ঘটনার পরদিন ১৭ জানুয়ারি মেয়র আইভীর ভাই ও সমর্থকসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে থানায় অস্ত্র ছিনতাই ও হত্যাচেষ্টার লিখিত অভিযোগ দেন যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলাম। তবে ওই অভিযোগ গ্রহণ করা হয়নি। পুলিশ সেটা জিডি হিসেবে গ্রহণ করেছিল।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin