নির্বাচন চাই, প্রতিদ্বন্দ্বীরা কাছেও আসতে পারবে না

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলা জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সম্ভাব্য সভাপতি পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেছেন, নির্বাচন হলো প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের গণতান্ত্রিক অধিকার। এখানে আইনজীবী ফোরামের প্রায় ৪০০ জন সদস্য রয়েছে। আমি চাই নির্বাচনের মাধ্যমে সভাপতি সাধারণ নির্বাচিত হোক। অন্যান্য পদগুলোতেও নির্বাচন হলে ভালো। তবে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে অব্যশ্যই হওয়া উচিত।

নিউজ নারায়ণগঞ্জকে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।

অ্যাডভাকেট সরকার হুমায়ুন কবির বলেন, এর আগে ২৯৮ জন সদস্য দিয়ে কমিটি করেছিলাম। সেখানে আমি সভাপতি খোরশেদ মোল্লা সাধারণ সম্পাদক ছিল। কেন্দ্রীয় নেতারা আমাদের কর্মকান্ড দেখে কমিটি দিয়েছিলেন। আমরা সবাইকে নিয়েই কমিটি করেছিলাম। কিন্তু তারপরেও হাতেগোনা ৮ থেকে ৯ জন আইনজীবী মেনে নেয়নি। তারা আন্দোলন করছে মানি না মানবো। আর তাই আমরা এবার নির্বাচনের মাধ্যমে কমিটি করার প্রক্রিয়া নিয়েছি। কিন্তু এখন তারা চাই সিলেকশন। এটার উদ্দেশ্য কি ?

তিনি আরও বলেন, নির্বাচন করে পাশ করতে চাইলেও বাধা দেয় সিলেকশন করে আসতে চাইলে সেখানেও বাধা। তারা যদি বিরোধীতাই করে তাহলে আমরা ধরে নিব তারা দল করে না। তাহলে তারা আওয়ামী লীগের সহযোগিতায় ফোরামকে নষ্ট করার জন্য প্রপাগান্ডা চালাচ্ছে। আমি জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ছিলাম, মহানগর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলাম, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সদস্য ছিলাম, আইনজীবী ফোরামের সভাপতি ছিলাম ও মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি ছিলাম। আমরা দলবাজ, দল করে এই পর্যন্ত এসেছি। বেগম খালেদা জিয়া আমার বাসায় আসছে। আমি সার্বক্ষণিক দলকে শক্তিশালীর করার জন্য কাজ করেছি।

সরকার হুমায়ূন কবির বলেন, যদি নির্বাচন হয় তাহলে আমার বিপক্ষ প্রার্থীরা আমার ধারে কাছেও থাকবে না। আমরা চাই নির্বাচন। কিন্তু একটি পক্ষের অভ্যাসই বিরোধীতা। নির্বাচনেও আসবে না সিরেকশনেও যাবে না। আমার মনে হয় তারা সরকারি দলের ছত্রছায়ায় আইনজীবী শক্তিশালী না হতে পারে সেই পরিকল্পনা করছে।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin