নির্বাচন আসলে’বড় ভাই,দুলাভাই,ব্রাদার ও গডফাদার’

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ – ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন,আজকাল ঢাকা থেকে নারায়ণগঞ্জ এসে আমাদের নেত্রীকে নিয়ে সমালোচনা করে বক্তব্য রাখছেন। দেশকে তাঁরা ব্যার্থ রাষ্ট্র প্রমাণ করতে চাচ্ছেন। ওদের কপাল ভালো যে আমার ধৈর্য্য বেড়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, আমরা মন থেকে রাজনীতি করি।

আর সে কারণেই ১৬ জুন বােমা হামলার পর যখন রক্তের উপর ভাসছিলাম তখন নিজেদের কথা না বলে বার বার বলেছিলেন ‘নেত্রীকে বাঁচান।’আমি অভিনয় করতে পারি না। নাটকও করতে পারি না। অনেকে নির্বাচন আসলে ‘বড় ভাই, দুলাভাই,ব্রাদার, ফাদার ও গডফাদার’ বলেন। কিন্তু আমি এসব পারি না।

১৩ মার্চ নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় ও ফতুল্লার ইউনাইটেড ক্লাবে পৃথক কর্মী সভায় শামীম ওসমান এসব কথা বলেন। সেখানে তিনি সাংবাদিকদের নিয়েও কথা বলেন। বলেন, আমি একটা পেশা সম্মান করি তাই আমার মেয়েকেও সে পেশাতেই লেখাপড়া করিয়েছি। আমি রাজনীতিবিদ না হলে সাংবাদিক হতাম। এই পেশার দ্বারা সত্য বলাও যায়, আবার মানুষের পিঠে ছুরিকাঘাতও করা যায়।


সাংবাদিকতা যারা করবেন তাদের কাছে অনুরােধ একটা হল সংবাদ পরিবেশন করা আর সংবাদ তৈরি করা। নেতাকর্মীদের বক্তব্যকে ইঙ্গিত করে শামীম বলেন, অনেকে রাগ হয়ে বক্তব্য দিয়েছে। নারায়ণগঞ্জে অনেক ঘটনা ঘটছে, রাগ হওয়ারমতই ঘটনা।

অনেকে আমাদের গালাগালি করছে। গালাগালি দেক, আমার পাপ কমবে তাদের পাপ বাড়বে। তিনি আরও বলেন, পাখি তাে সবটাই যারা আকাশে ওড়ে। চামচিকাকে কি পাখি বলে মানুষ, বলে না। এটাই আমার কষ্ট। চামচিকা আকাশে সাই সাই উড়ে কিন্তু মানুষ তারে চামচিকাই বলে। এখন নারায়ণগঞ্জের দুয়েকটা এলাকায় চামচিকা উড়ে বলে আমি পাখি আমি পাখিই। কিন্তু মানুষ তাদেরপাখি বলে না। আমিও তাদের নিয়ে কথা বলতে চাই না। অনেক পাখি দেখতে কুচকুচে কালাে। বাড়ির সামনে যখন ময়লা ফেলবেন। দেখবেন বিভিন্ন পদের কাক আসে।

তারা এসে কা কা কা কা করে। সে শব্দটা কিন্তু শুনতে ভাল লাগে না। তবে কাকের মত দেখতে কোকিল পাখিও দেখতে কালাে। সে ডাকলে মনের মধ্যে মধু লাগে। আমাদের অন্যতম সৌন্দর্য হল কোকিল, ঘুঘুর ডাক। কাকের ডাকে কোকিলদের জবাব দেয়ার দরকার নেই। কাক যদি কোকিল হতে চায় এবং চামচিকা যদি পাখি হতে চায় আমার কিছু বলার নেই।

শামীম ওসমান আরাে বলেন, আমি পদ পদবী দিতে পারব না। আমার সাথে থাকলে নিগৃহীত হতে হবে।রাজনীতিতে দুধরনের নেতা আছে। একটা হল পদধারী নেতা, আরেকটা হল জননেতা। আমরা হিসাব দেব আমরা কত হাজার কোটি টাকার কাজ করেছি।উন্নয়ন দিয়ে আপনি মানুষের মন জয় করতে পারবেন না।

মানুষ উন্নয়নের চেয়েবেশি চায় শান্তি, তার চেয়ে বেশি চায় সম্মান, মাদকমুক্ত সমাজ। মানুষকে বুঝতে দিতে হবে আমার যতটুকু অধিকার আছে প্রধানমন্ত্রীরও ততটুকু ক্ষমতা আছে।


গরীবের পেটে লাথি দিয়েন না। আমাদের ৪৫ টা ওয়ার্ড আছে, আমরা ফরম্যাট বানিয়েছি। সেখানে সকল তথ্য থাকবে। এগুলাে দিয়ে মিনিমাম ৫০১ সদস্যের
কমিটি করবেন। এখানে কোন নেতা থাকতে পারবে না। আর পরিবারের কেউ অন্য কোন দল করে কিনা তাও উল্লেখিত থাকতে হবে। আমাদের কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin