নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে অসৎ মানুষকে হাতিয়ার না বানাই

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আসছে আগামী ১১ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নারায়ণগঞ্জের ১৬টি ইউনিয়নে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। নির্বাচনী আমেজ প্রতিটি ইউনিয়নে। কে হবে মেম্বার কে হবে চেয়ারম্যান সেই অংক কষছে সব শ্রেনী পেশার মানুষ।

নির্বাচন নিয়ে এখনো যে মানুষের উৎসাহ উদ্দীপনার অন্ত নেই তার প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে এই ইউপি নির্বাচনে। ব্যানার, ফেষ্টুন,পোস্টার ও নানা সুর- তালের গানে এ যেন এক অন্যরকম উৎসব মুখর আমেজ এনেছে মানুষের মাঝে।

কিন্তু যেটার জন্য এতসব আয়োজন সেই ভোট মানুষ দিতে পারবেতো? দেশে বিগত দিনের ইউপি ও জাতীয় নির্বাচনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা এখনো মনে আছে। একজন ভোটারের সাথে কথা বললে তিনি জানান, আমি গত ইউপি নির্বাচনে অনেক শখ করে ভোট কেন্দ্রে গিয়েছিলাম।

কিন্তু আমার ভোট অনেক আগেই দেওয়া হয়ে গেছে বলে জানানো হয়েছে। তাই ভোট দিতে ইচ্ছে করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভোট দিতে পারবো কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি না থাকায় প্রতিটি ইউনিয়নে প্রায় একতরফা ভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হতে যাচ্ছে তা অনেকটাই পরিষ্কার। কিন্তু মেম্বার পদ নিয়ে দেখা যাচ্ছে না জল্পনা কল্পনা, ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা ঘুরলেও
বেশিরভাগ ভোটারদের ধারণা শেষ পর্যন্ত অরজাকতা করেই নির্ধারিত হবে এই হার-জিত।

এদিকে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীরা চিহ্নিত কিশোর-গ্যাং ও সমাজের সন্ত্রাসীদের দিয়ে চালাচ্ছেন শো-ডাউন। যা ভোটারদের মাঝে আতংক সৃষ্টি করেছে। কিন্তু একটি প্রশ্ন থেকে যায় এই নির্বাচবী বৈতরনী পার হবার জন্য যেই প্রার্থীরা এইসব কিশোর গ্যাং, সন্ত্রাসীদের সহয়তা নিচ্ছে তারা নির্বাচিত হলে কিভাবে এই কিশোর গ্যাং রোধ করবে?

সময় এসেছে সাধারণ মানুষের ঘুরে দাড়াবার এই সন্ত্রাসীদের পৃষ্ঠপোষকদের বিরুদ্ধে ভোট বিপ্লব করার, যার মাধ্যমে সমাজ থেকে তাদেরকে বয়কট করার। এই সমাজ হোক সাধারণ মানুষের, বঞ্চিত মানুষের, মেহনতী মানুষের। ভোটে প্রকাশ ঘটুক মানুষের মতামতের প্রতিফলন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin