নিম্নআয়ের মানুষের মাঝে গণসংহতি আন্দোলনের ঈদ সামগ্রী বিতরণ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে নারায়ণগগঞ্জে অসহায় সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ঈদ খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেছে গণসংহতি আন্দোলন।

১৩ মে বৃহস্পতিবার সকালে শহরে দলীয় কার্যায়ে ঈদ সামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়। পরিবর্তে বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক ভাবে এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার সমন্বয়কারী তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, জেলার দফতর সম্পাদক পপি রাণী সরকার, রাজনৈতিক শিক্ষা সম্পাদক মশিউর রহমান রিচার্ড এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সভাপতি ইলিয়াস জামান প্রমুখ।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার অর্থ সম্পাদক রাকিবুল হাসান এবং বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক জাহিদ সুজন বিকাল ৪টায় ফতুল্লার গাবতলি-ইসদাইর এলাকায়, বন্দর থানা কমিটির আহ্বায়ক কাউসার হামিদ বিকাল সাড়ে ৪টায় নাসিক ২২ নং ওয়ার্ডে, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা কমিটির সম্পাদক মাহমুদ কলি হারুন বিকাল ৫টায় নাসিক ১নং ওয়ার্ডে, নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সদস্য ও ছাত্র ফেডারেশনের সাবেক সভাপতি শুভ দেব বিকাল ৫টায় ফতুল্লা স্টেডিয়াম সংলগ্ন লালখা এলাকায়, গণসংহতি আন্দোলন ফতুল্লা থানার সংগঠক আব্দুল আল মামুন বিকাল ৫টায় কাশীপুর এলাকায়, ছাত্র ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনা বিকেল ৪টায় নগরীর ১৮নং ওয়ার্ডের স্বল্প আয়ের মানুষদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেন।

তরিকুল সুজন বলেন, দেশে এক তামাশার পরিস্থিতি চলছে। একদিকে করোনার কথা বলে সরকার ৩য় ধাপের লকডাউন চালাচ্ছেন। অন্যদিকে দেশের সকল কিছুই খোলা। আর সকল বিধিনিষেধ, বাধ্যবাধকতা যেন শ্রমজীবী মানুষের জন্যই প্রযোজ্য। মহামারী পরিস্থিতে স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে গার্মেন্ট শ্রমিকেরা কাজ করলেন। অথচ তাদেরকে পাওনা ছুটি দেয়া হল না। টঙ্গীতে প্রাপ্য ছুটির দাবিতে শ্রমিকরা রাস্তায় নামলে তাদের উপর গুলি চালানো হল। মহামারী ছড়িয়ে পড়ার কথা বলে দূরপাল্লার বাস বন্ধ রাখলেন। অথচ দেশের অভ্যন্তরে বিমান, মাইক্রোবাস, ব্যক্তিগত প্রাইভেটকার চালু থাকলো। গতকাল বাড়ি যেতে গিয়ে ফেরীতে হুড়োহুড়ি অবস্থায় কিভাবে ৫ জন মানুষ মারা গেলেন তাও আমরা দেখলাম। এই মৃত্যুর দায় সম্পূর্ণ রাষ্ট্রের। কারণ, রাষ্ট্র যেকোনো একটি উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারতো। হয় পর্যাপ্ত বাহনের ব্যবস্থা করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সকলের গ্রামে যাওয়া এবং ফেরার ব্যবস্থা করা। অন্যথায় কেউই তার অবস্থানরত এলাকা ত্যাগ করতে পারবে না এই ফরমান জারী করা। বাস বন্ধ রেখে ফেরীতে যাওয়ার সুযোগ রাখলে এমন ঘটনা তো ঘটবেই।

অঞ্জন দাস বলেন, এই তামাশার লকডাউন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বেশি অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দেশের দিনমজুর অথবা খুচরা শ্রমের মানুষেরা। নিয়মিত কাজ না থাকায় এর প্রভাব ভয়াবহভাবে তাদের জীবন যাত্রায় এসে পড়েছে। ঈদে নতুন জামাকাপড় কেনা তো দূরের কথা পরিবারে খাবারের সংস্থান করতেই অনেকে হিমশিম খাচ্ছেন। প্রতি বছরের মতো এই বছরও আমরা দলের পক্ষ থেকে ঈদ সামগ্রী বিতরণ করছি। আমরা দেশের সকল সার্মথ্যবান মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই এই মানুষগুলোর পাশে দাঁড়ানোর জন্য। যে যার যার অবস্থান থেকে নিজেদের সার্মথ্য ভাগাভাগি করলে হয়তো এই মানুষগুলোর ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ মাত্রায় বেড়ে যাবে। আর এটিই হচ্ছে ঈদের প্রকৃত মাহাত্ম্য।

সুত্রঃ নিউজ নারায়নগঞ্জ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin