নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে না.গঞ্জ জেলা গণসংহতির বিক্ষোভ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যসহ গ্যাস, পানি, বিদ্যুতের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে নারায়নগঞ্জের জেলা গণসংহতি আন্দোলন।

আজ বুধবার (২ মার্চ) সকাল ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ জেলার নির্বাহী সমন্বয়ক অঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে এবং ফতুল্লা থানার সদস্য সচিব শুভ দেবের সঞ্চালনায় উক্ত কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন গণসংহতি আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগর কমিটির আহবায়ক মশিউর রহমান রিচার্ড, বন্দর উপজেলা কমিটির আহবায়ক কাউসার হামিদ, ফতুল্লা থানা কমিটির যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুল আল মামুন, নাসিক ১২ নং ওয়ার্ডের সংগঠক জাহাঙ্গীর আলম বাবু, ১৮ নং ওয়ার্ডের সংগঠক তাকবীর হোসেন, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন জেলার সাধারণ সম্পাদক ফারহানা মানিক মুনাসহ নেতৃবৃন্দ।

সভাপতির বক্তব্যে অঞ্জন দাস বলেন, দেশব্যাপী কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে আমরা আজ বিক্ষোভ প্রদর্শন করছি। এর আগে গ্যাস উৎপাদনকারী সংস্থাগুলো যখন চুলাপ্রতি মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব করলো, তখন থেকেই আমরা লাগাতার আন্দোলন কর্মসূচি করে আসছি। উদ্ভুত এই পরিস্থিতিকে কেন্দ্র করে জনমনে ব্যাপক অসন্তোষ আমরা লক্ষ্য করেছি। এরই মধ্যে ভোজ্যতেলসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়ানো হয়েছে। বাজারে পঞ্চাশ টাকার নিচে কোন সবজি পাওয়া যায়না।

তিনি আরও বলেন, সয়াবিন তেলের দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। গ্যাসের দাম ১১৭% বৃদ্ধি করার প্রস্তাবনা করেছে। সরকার তাদের লুটপাট-দুর্নীতির দায় জনগণের কাঁধের উপর চাপিয়ে দিয়েছে। এই দূর্যোগকালে যখন মানুষের আয় কমেছে। চাকরি হারিয়ে বেকার অবস্থায় আছে বহু মানুষ। তখন সরকার মানুষের পাশে না থেকে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি করছে। এটা একপ্রকার তামাশা। দেশের একটি মানুষও আজ সরকারের এহেন কর্মকান্ডে সন্তুষ্ট নয়। ক্ষোদ সরকারি দলের অনেক সমর্থকদের মুখেই আমরা ক্ষোভ ঝরতে দেখেছি। ব্যাপারটি আসলে এরকমই। কিছু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী, স্বার্থান্বেষী মহল এবং সরাসরি সুবিধাভোগীরা ছাড়া সকলেই এই মূল্যবৃদ্ধিকে প্রত্যাখান করেছে। তাই আমরা সরকারকে অবিলম্বে এই মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই। নয়তো জনরোষ তৈরি হলে তা মোকাবিলা করা সরকারের পক্ষে অসম্ভব হবে। সিন্ডিকেট বন্ধ করে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার উপর বাজারদর ঠিক করতে হবে। এবং তা যথাযথভাবে মনিটরিং করা নিশ্চিত করতে হবে। নয়তো নারায়ণগঞ্জবাসীকে সাথে নিয়ে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin