না.গঞ্জে হাজী সেলিমের দখ‌লে সেই ১৪ বিঘা জ‌মি উদ্ধারে ফের অভিযান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ঢাকা-৭ আসনের এমপি হাজী সেলিম নারায়ণগঞ্জে দখল করে রেখেছিলেন ১৪ বিঘা খাস জমি। সোনারগাঁয়ে নিজের মালিকানাধীন মদিনা গ্রুপের নামে এ জমি দখল করে রাখেন তিনি। এমনই সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারিত হওয়ার পর সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসন সম্পূর্ণ জায়গাকে সোমবার(১ নভেম্বর) চিহ্নিত করে এবং কিছু স্থাপনা গুড়িয়ে দেয়। একইসাথে সর্ম্পূণ স্থাপনা গুড়িয়ে দিতে না পারায় এবং সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় সেদিনের কাজ সমাপ্ত করে ৩ দিনের সময় দিয়ে আসে উপজেলা প্রশাসন। আর সেই সময় গতকালই শেষ হয়ে গিয়েছে, কিছুক্ষণের মধ্যেই অভিযান পরিচালিত হবে।

৫ নভেম্বর ( বৃহস্পতিবার ) দুপুর ১১ টার দিকে সোনারগাঁও উপজেলার নির্বাহী অফিসার(ইউএনও) আতিকুল ইসলাম লাইভ নারায়ণগঞ্জকে এ তথ্য জানান।

আতিকুল ইসলাম বলেন, গতকালই মেঘনা গ্রুপের বেঁধে দেওয়া সময় শেষ হয়েছে। আজ অভিযান পরিচালিত হবে, আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি দুপুর নাগাদই অভিযান পরিচালনা করা হবে।

এরআগে, রোববার উপজেলার মেঘনাঘাট এলাকায় হাজী সেলিমের দখলে থাকা সিমেন্ট ফ্যাক্টরির দু’পাশে ২.১১ একর, আরেকটায় ১.৮ একর, টোল প্লাজার ডান পাশে ১.২০ একর, এই মোট ৪.৩৯ একর যা প্রায় ১৪ বিঘার সমতূল্য জমি চিহ্নিত করে উপজেলা প্রশাসন। যেখানে ২.১১ একর রয়েছে সেখানে ৩ টা স্থাপনা ভাঙ্গলেও, বাকি একটা শক্তিশালী হওয়ায় ভেকুতে সমস্যা হয়ে যায় তাই সেদিনের মতো উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ করা হয়। বাকি স্থাপনাগুলোকে ৩ দিনের মধ্যে উচ্ছেদ করার জন্য নির্দেশনা দিয়ে আসে প্রশাসন।

উল্লেখ্য, অভিযানের আগে মদিনা গ্রুপের উপব্যবস্থাপক (ল্যান্ড) মহিউদ্দিন আহম্মেদ গণমাধ্যমকে বলেছিলেন, ‘আমাদের কারখানার ভেতরে সরকারি সম্পত্তি রয়েছে, এ কথা সত্য। সম্পত্তিগুলোর স্থায়ী বন্দোবস্ত পাওয়ার জন্য আমাদের কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হাজি সেলিম নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক বরাবর আবেদন করেছিলেন। আমাদের আবেদনে প্রশাসন কোনো সাড়া না দেওয়ার কারণে আমরা আর সামনে এগিয়ে যেতে পারিনি। প্রশাসন এখনো যদি খাসজমিগুলো আমাদের কোম্পানির নামে বন্দোবস্ত দিতে রাজি হয় তবে আমরা নিয়ম মোতাবেক সরকারি কোষাগারে অর্থ জমা দিয়ে বন্দোবস্ত নিতে রাজি আছি।

সূত্রঃ লাইভ নারায়নগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin