না.গঞ্জে শ্রমিক লীগ নেত্রীর আত্মহত্যার আগে ফেসবুকে ঘোষণা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

শ্রমিক লীগের নেত্রী ও মুক্ত ফেডারেশন গার্মেন্টেস ফতুল্লা থানা শাখার সাধারণ সম্পাদিকা হেলেনা খাতুন জয়া মৃত্যুর সাত দিন আগে ৩০ মার্চ নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ঘােষণা দিয়েছিলেন।

তবে সেই ঘােষণার পরে তার স্বামী জহিরুল ইসলাম
রাজু ওরফে জেড এ রাজু পাল্টা স্ট্যাটাস দিয়ে তা অস্বীকার করেছিলেন।অবশেষে ৬ এপ্রিল) রাতে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।গত ৩০ মার্চ হেলেনা খাতুন জয়া তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে স্ট্যাটাস দেয়।


সেখানে বলা হয়, আমি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। রাজু আমাকে জোর করে বিয়ের অধিকার চায় যা আমার পক্ষে…। সরি’ তবে একই দিনে তার দ্বিতীয় স্বামী জেড এ রাজু ঘটনাটি অস্বীকার করে পাল্টা স্ট্যাটাস দেয়। তিনি লিখেন, ‘আমি জেড এ রাজু, আমার স্ত্রী হেলেনা
খাতুন জয়া। আমাদের মাঝে কোন প্রকার পারিবারিক কলহ বা ঝগড়া-ঝাটি নেই। আমাদের জীবন খুব সুখী জীবন। আমাদের নামে কুচক্রী মহল কাজ
করতেছে। কারণ আমাদের সামাজিক ও রাজনীতিক এবং কর্ম জীবনে খুব ভাল অবস্থান আছে বিধায় কোন ভাবে আমাদের ভালাে এই কুচক্রী মহল
চায়না। আমাদের ফেসবুক আইডিতে ফ্রেন্ডলিস্টে আমাদের কিছু প্রতিপক্ষ ছিলাে যারা আমাদের ফেসবুক আইডি হ্যাক করেছিলাে এবং আমাদের
আইডি দ্বারা কিছু আজে-বাজে, মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর পােষ্ট করেছিলাে।

আমাদের রাজনৈতিক, সামাজিক, কর্ম-জীবনে বাজে প্রভাব ফেলার জন্য আমি সকলের অবগতির জন্য
জানাচ্ছি এই মিথ্যা প্রচারে কেউ বিশ্বাস করবেন না। আমাদের পারিবারিক ও রাজনৈতিক এবং
সামাজিক ভাবে হেও প্রতিপন্ন করারজন্য এই ঘৃণ্য প্রচার চালাচ্ছে।আমাদের পারিবারিক জীবনআল্লাহর রহমতে খুব সুখী। সবশেষে তিনি আরও বলেন,
‘আলহামদুলিল্লাহ আল্লাহর রহমতে কিছুক্ষণ আগে আমার ও আমার স্ত্রীর আইডি (ফেসবুক আইডি)
উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছি।


ওই সময় এ বিষয়টি কেউ আমলে নেয়নি। পরে বুধবার ৬ এপ্রিল বিকেলে হেলেনা খাতুন জয়া অভিমান করে ভাড়াটিয়া ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায়
ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধারকরে মর্গে প্রেরণ করেছে।

এ ঘটনায় ওই রাতে নবীগঞ্জ বাজার এলাকায়। অভিযান চালিয়ে আত্মহত্যার প্ররােচনার অপরাধে দ্বিতীয় স্বামী জহিরুল ইসলাম রাজুকে গেপ্তার করে পুলিশ। পরেআত্মহননকারীর প্রথম সংসারের
ছেলে তুষার বাদী হয়ে তার সৎ বাবাকে আসামী করে বন্দর থানায় আত্মহত্যার প্ররােচনার মামলা
দায়ের করেন।

হেলেনা আক্তার জয়া সম্প্রতি বন্দরএলাকার জেড এ রাজু নামের এক ব্যাক্তিকে বিয়ে করে। এর আগে তিনি ফতুল্লার মাসদাইর এলাকায়
বিশপ্লব নামে এক ব্যক্তিকে বিবাহ করেছিল। ওই সংসারে তিন সন্তানরয়েছে। পারিবারিক কলহের কারণে বিপ্লবের সাথে দীর্ঘ ২০ বছরপর বিবাহ বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী জানিয়েছে, হেলেনাখাতুন জয়া তার স্বামী মােহাম্মদ রাজুকে সাথে নিয়ে বন্দরের ২৪ নং
ওয়ার্ডের নবীগঞ্জ ইসলামবাগএলাকার জনৈক বাবুল মিয়ার বাড়িতে দীর্ঘ দিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছে।

পারিবারিক কলহের জের ধরেবুধবার বিকেলে গৃহবধূ হেলেনা খাতুন জয়া অভিমান করে ভাড়াটিয়া ঘরের ফ্যানের সাথে ওড়না পেচিয়ে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করে। পরে পুলিশ সংবাদ পেয়ে লাশ উদ্ধার করে মর্গে প্রেরণ করেছে। হেলেনা খাতুন জয়া দীর্ঘদিন যাবত শ্রমিকলীগের রাজনীতির সাথে সম্পৃক্তছিল। এমন কি আওয়ামীলীগের যেকোন কর্মসূচিতে তাকে দেখা যেতাে তিনি জেলা মুক্তিযুদ্ধ প্রজন্মীগের যুগ্নস্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে।

সূত্রঃ সময়ের নারায়ণগঞ্জ


Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin