না.গঞ্জে লঞ্চ চলাচলের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বকেয়া বেতনের দাবি

শেয়ার করুণ


নারায়ণগঞ্জ থেকে পাঁচ রুটে যাত্রীবাহী লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারসহ বন্ধ লঞ্চের শ্রমিকদের বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধ ও তাদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবে অনুষ্ঠিত এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন বাংলাদেশ জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক সবুজ সিকদার।

সংবাদ সম্মেলনে নেতারা বলেন, গত ২০ মার্চ শীতলক্ষ্যা নদীতে রূপসী-৯ কার্গো জাহাজের ধাক্কায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এম.এল আফসার উদ্দিন ডুবে ১০ জনের মৃত্যুর ঘটনার পর বিআইডব্লিউটিএ নারায়ণগঞ্জ রুটে চলাচলকারী ‘সানকিন ডেক’ লঞ্চ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। এর পর থেকে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় লঞ্চ টার্মিনাল থেকে পাঁচটি রুটের সব লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেয়। এতে পাঁচ শতাধিক নৌ-যান শ্রমিক কর্মচারীরা বেকার হয়ে পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। আসন্ন ঈদুল ফিতর পালনও তাদের জন্য অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

নেতারা বলেন, ব্রিটিশ আমল থেকে নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দর থেকে সাতটি রুটের বিভিন্ন এলাকায় ৭০টি লঞ্চ ও স্টিমার চলাচল করছে। নাব্যতা সংকটের কারণে দুইটি রুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং সারা দেশে এই লঞ্চের সংখ্যা আট শতাধিক। কিন্তু বিআইডব্লিউটিএ কোনো সময়সীমা না দিয়ে ‘সানকিন ডেক’ লঞ্চ চলবে না আখ্যা দিয়ে সকল লঞ্চ চলাচল বন্ধ রেখেছে। তবে যাত্রী ভোগান্তি এড়াতে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ নারায়ণগঞ্জ-মুন্সীগঞ্জ রুটে সি ট্রাক, নারায়ণগঞ্জ-চাঁদপুর রুটে এম.ভি আরিফ ও এম.ভি সোনার তরী লঞ্চ চালু করলেও যাত্রীদের চাহিদার তুলনায় এই তিনটি লঞ্চ যথেষ্ট নয় বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

তাই লঞ্চ মালিকদের নির্দিষ্ট সময় দিয়ে তাদের লঞ্চগুলো আকারে বড় করে চলাচলের ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে দাবি জানান জাহাজি শ্রমিক ফেডারেশনের নেতারা। এতে করে শ্রমিকরা কাজে ফিরতে পারবে এবং ঈদে ঘরমুখো যাত্রীরাও কম খরচে বাড়ি যেতে পারবেন বলে মনে করেন তারা।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি মঈন মাহমুদ, সহ-সভাপতি জুয়েল প্রধান ও যুগ্ম সম্পাদক জাকির হোসেন।

নিউজটি শেয়ার করুণ