না.গঞ্জে করোনা রোগীরাও ঘুরছে বাইরে

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

টানা ১৪ দিনের লকডাউনে নারায়ণগঞ্জে সফলতা বয়ে এনেছে। ইতোমধ্যে নারায়ণগঞ্জে করোনা সংক্রামণ কমে এসেছে। তবে সচেতন না হলে সেটা আবারও বাড়বে বলছেন জেলা স্বাস্থ্যবিভাগ। এমন পরিস্থিতিতে করোনা সংক্রামন ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা অসচেতন বলে অভিযোগ করছেন অনেকেই। ফলে তাদের বিষয়ে জেলা স্বাস্থ্যবিভাগকে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানান তারা।

২৬ এপ্রিল সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত জেলা ১ লাখ ৮৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ১২ হাজার ৬৯০ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। যার মধ্যে মারা গেছেন ২১০ জন আর সুস্থ হয়েছেন ১১ হাজার ৯৪ জন। তবে এখনও আক্রান্ত হয়ে আইসোলেশনে রয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৪ জনের নমুনা সংগ্রহ করে ৫৭ জন করোনা পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে। মারা গেছেন ১ জন আর সুস্থ হয়েছেন ১৯৬ জন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর বলেন, ‘ভারতের যে হারে মানুষ অক্সিজেনের অভাবে মারা যাচ্ছে সেটা দেখে কান্না আসে। কিন্তু সেটা দেখেও মানুষ সচেতন হচ্ছে না। স্বাস্থ্যবিধি না মেনে যেহারে ঘুরে বেড়াচ্ছে তাতে এখন নিজেদেরই ভয় হয়।’

তিনি বলেন, ‘কয়েকদিন আগে আমার পরিচিত এক ব্যক্তি আমার কাছে অভিযোগ দিয়েছেন তার ভবনের ৫ তলার এক বাসিন্দা যিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করেন। সেই চাকরিজীবী নারী চাদর গায়ে গরমের মধ্যে বাইরে বের হয়েছে। ওই ব্যক্তিকে সন্দেহ হওয়ায় জিজ্ঞাসা করেন চাদর গায়ে কেন বের হয়েছে।

এর প্রেক্ষিতে নারী বলেন, ‘ব্যাংকে জরুরী কাজ ছিল আর করোনা সংক্রামণ ভয়ে চাদর গায়ে বের হয়েছেন। কিন্তু বিকেলে বাসার অন্যদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারেন ওই নারী করোনা পজেটিভ। এখন আমাকে বলেন তার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে। এটা শুনেই আমি চমকে উঠি। একজন সচেতন মানুষ কিভাবে অসচেতন হয়ে ঘুরে বেড়ান। পরে খোঁজ নিয়ে আমি বলতে গিয়েও বিব্রত কর পরিস্থিতিতে পরতে হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘করোনার শুরুতে যেভাবে পজেটিভ ব্যক্তিদের বাসায় গিয়ে সচেতন করা হয়েছে কিংবা ভবনে লাল নিশান টানিয়ে দেওয়া হয়েছে, এমনটা আবারও করা উচিত। অন্যথায় এরকম অসচেতন ব্যক্তিরা কখনো সচেতন হবে না।’

সিটি করপোরেশনের তথ্য অনুযায়ী গত ৭ এপ্রিল থেকে ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৬১ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পজেটিভ শনাক্ত হয়েছে ৯৪ জন। তাদের প্রত্যেককেই ওভার ফোনে টেলিমেডিসিন সেবা ও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মকর্তা ডা. শেখ মোস্তফা আলী বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকায় সংক্রামন অনেকটা কমে এসেছে। সেই সঙ্গে নমুনা পরীক্ষা করাতে আসা ব্যক্তিদের সংখ্যাও কমেছে।’

তিনি বলেন, ‘যাদের নমুনা পরীক্ষায় পজেটিভ শনাক্ত হয় তাদেরকে আমরা ওভার ফোনে নিশ্চিত করি। তাদের ডাক্তারী পরামর্শ ও সার্বিক সহযোগিতা করে থাকি। তবে এখন বাড়ি বাড়ি গিয়ে সচেতন করা হয় না। এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা নেই।’

সূত্র: নিউজ নারায়াণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin