না.গঞ্জের ৫ মামলায় ১৫ দিনের রিমান্ডে মামুনুল

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

কওমী মাদ্রাসা ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নেতা মামুনুল হককে নারায়ণগঞ্জের ৫ মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৫ দিনের রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ।

জেলার সিনিয়র বিচারিক হাকিম আহমেদ হুমায়ুন কবির বুধবার (১২ মে) মামুনুলকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দেন।

এর আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে মামুনুলকে ভার্চুয়ালি আদালতে যুক্ত করা হয়।

নারায়ণগঞ্জে মামুনুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ওমর ফারুক নয়ন।

আদালত পুলিশের পরিদর্শক মো. আসাদুজ্জামান জানান, হরতালে সহিংসতার সিদ্ধিরগঞ্জের ২ মামলা এবং সোনারগাঁয়ের রয়্যাল রিসোর্ট ও যুবলীগ, ছাত্রলীগের কার্যালয়ে ভাঙচুরের ২ টি মামলায় পুলিশ মামুনুলকে ৭ দিন করে ২৮ দিনের রিমান্ডের আবেদন করে। এ ছাড়া জান্নাত আরা ঝর্ণার করা ধর্ষণ মামলায় ১০ দিনের রিমান্ড চাইলে আদালত উঠানো হয়। পরে ৩৮ দিন রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিটি মামলায় ৩ দিন করে ১৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধিতা করে গত ২৬ মার্চ রাজধানীর বায়তুল মোকাররমে হেফাজতের কর্মসূচিতে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষের জেরে সহিংসতা হয় নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রামের হাটহাজারী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ ও কিশোরগঞ্জসহ আরও কয়েক জেলায়।

গত ৩ এপ্রিল সোনারগাঁয়ে রয়্যাল রিসোর্টের একটি কক্ষে এক নারীসহ হেফাজতে ইসলামের সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হককে নারীসহ অবরুদ্ধ করেন স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ গিয়ে মামুনুল হককে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। এ সময় খবর পেয়ে হেফাজতের নেতা–কর্মী ও মাদ্রাসার ছাত্ররা ওই রিসোর্টে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে তাঁকে পুলিশের কাছ থেকে ছিনিয়ে নেন। পরে হেফাজতের নেতা–কর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যানবাহন ভাঙচুর করেন। এ সময় তাঁরা মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়।

সুত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin