না.গঞ্জের ফুটপাত-অলিগলি পানিপুরির দোকানে সয়লাব

শেয়ার করুণ

কলকাতার বিখ্যাত খাবার পানিপুরির দোকানে ছেয়ে গেছে নারায়ণগঞ্জের অলিগলি ফুটপাত৷ খাবারটির চাহিদা ব্যাপক থাকায় শুধুমাত্র চাষাড়া ও তার আশেপাশে কমপক্ষে গড়ে উঠেছে ১০ টির ও বেশী দোকান। মাসখানেক আগেও ছিল মাত্র ১ টি দোকান। একই চিত্র শেখ রাসেল পার্কে। এক মাসের ব্যবধানে সেখানেও গড়ে উঠেছে একাধিক দোকান।

চাহিদা বেশী থাকায় প্রতিনিয়ত বাড়ছে এই খাবারের দোকান। মোটামুটি সব দোকানের পানিপুরিই ভোজনরসিকরা সাদরে গ্রহন করেছে। কিন্তু ভোজনরসিকদের অভিযোগ দোকান বাড়লেও মানের কথা খেয়াল রাখছেন না দোকানীরা। প্রথম প্রথম ক্রেতা সাধারনের চাহিদার কথা মাথায় রেখে ভালো মানের পুরি ও টক সরবরাহ করলেও দিনে দিনে মানের অবনতি হচ্ছে। টকের ভিতর পানির পরিমান বাড়িয়ে দিচ্ছেন অধিক মুনাফার লোভে ব্যবসায়ীরা। পুরির আকার ও স্বাদেও এসেছে পরিবর্তন।

চাষাড়ায় বেলপুরি খেতে আসা অনার্স ২ বর্ষের শিক্ষার্থী নীলা জানান, প্রতি সপ্তাহে অন্তত একবার বান্ধবীদের নিয়ে আসেন এখানে। তার অভিযোগ আগে পরিষ্কার পরিচ্ছন্নভাবে খাবার পরিবেশন করা হতো। এখন চাহিদা বাড়ায় আগের মত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন নয় খাবার পরিবেশন। চাহিদা বাড়ায় বিভিন্ন প্রকার টকের স্বাদও নেই আগের মত। টকে পানির পরিমান বেড়ে গেছে। তাই আগের মত স্বাদ নেই। তার ভাষ্য দোকান বেড়েছে অনেক। কিন্তু খাবারে কোন বৈচিত্র্য নেই।

আরও কয়েক জনের সাথে কথা বলেও পাওয়া গেছে একই বক্তব্য। তবে দোকানদারদের সাথে কথা এ ব্যাপারে কথা বললে তারা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেন। তাদের দাবি তারা সবসময়ই তাদের মান ধরে রাখার চেষ্টা করেন। ক্রেতাদের চাহিদাকে অগ্রাধিকার দিয়েই তাদের ব্যবসা।

নিউজটি শেয়ার করুণ