নারায়ণগঞ্জ সংস্কৃতির তীর্থভূমিঃ জেলা প্রশাসক

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজ বলেছেন,
নারায়ণগঞ্জের উপর দিয়ে ছয়টা নদী বয়ে গেছে। সেই ১৯১৩ সাল থেকে এখানে রাজাদের বসবাস। যাবতীয় আন্দোলনের তীর্থ ভূমি এখানে। কালচারের তীর্থ ভূমি এখানে। সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে ফাইট করতে হলে কালচার এক্টিভিটিসটা আমাদের বাড়াতে হবে।

এমপি মহোদয়ের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে আমি দু-চারটি কথা না বললেই নয়। তিনি বলেছেন, বাবা মাকে শ্রদ্ধা কর। এটাই কিন্তু আমাদের কালচার। আমাদের দেশে এখনও কোন জিনিস আমরা বাম হাত দিয়ে দেই না, ডান হাত দিয়ে দেই। পৃথিবীর উন্নতদেশে কিন্তু বাম হাত দিয়ে দেয়। আমরা এখনও টিচারকে নাম ধরে ডাকি না, সারা পৃথিবীতে টিচারকে নাম ধরে ডাকে। কখনও কখনও বাবা-মায়ের নাম ধরেও পারলে ডাকে। মুরুব্বিরা আসলে আমরা উঠে দাঁড়াই। এটাই হলো আমাদের কালচার। আমাদের কালচারে কিন্তু অত্যন্ত সৌন্দর্য্যতা আছে।

আজ শনিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর কালিরবাজারে জেলা সরকারি গ্রন্থাগারে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির ৪৮তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, কালচার এমন এক জিনিস যেটা দেখা যায় না ছোয়াও যায় না কিন্তু অনূভব করা যায়। যেমন হৃদয়, আত্মা, মানবতা, প্রেম, ভালোবাসা এগুলা দেখা যায় না। তাই কবিরা গান গেয়েছেন, ‘কাগজে লিখবোনা নাম কাগজ ছিড়ে যাবে, পাথরে লিখবোনা নাম পাথর খয়ে যাবে, হৃদয়ে লিখো নাম সে নাম রয়ে যাবে’। কালচার হৃদয়ে ধারন করার বিষয়। এই কারণে বঙ্গবন্ধু অনূভব করেছিলেন আমাদের একটা জাতীয় প্রতিষ্ঠান করতে হবে, ১৯৭৪ সালের আজকের এইদিনে ১৯শে ফেব্রুয়ারি তিনি এইটা (শিল্পকলা একাডেমি) গঠন করেছিলেন। ৬৪টি জেলাতে তিনি এইটা প্রতিষ্ঠিত করে ছিলেন।

তিনি আরও বলেন, আজকে আমাদের সমাজে কালচারের প্র্যাকটিসটা কম বলেই মানুষ আনন্দ পায় না। তার ভিতরে হৃদয়কে জাগাতে পারেনা বলেই সমাজে মাদক সৃষ্টি হয়েছে। আমাদের কালচারকে আমাদের ধারণ করতে হবে। আমাদের কালচার অত্যন্ত রিচ কালচার।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin