নারায়ণগঞ্জের কারো সঙ্গে আমার দ্বন্দ্ব নাই : শামীম ওসমান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জে আওয়ামী লীগের কারো সঙ্গে কোন ধরনের বিরোধ নাই জানিয়েছেন এমপি শামীম ওসমান।বেসরকারী টিভি চ্যানেল নাগরিক টিভির আধঘণ্টার গল্পে শামীম ওসমান এসব কথা বলেন। ২০ অক্টোবর সেটা প্রচারিত হয।

শামীম ওসমান বলেন, নারায়ণগঞ্জের কারো সঙ্গে আমার কোন দ্বন্দ্ব নাই। রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ এক। কিছু কিছু ব্যক্তি আছে যারা প্রধানমন্ত্রী ও সরকারকে গালি দিচ্ছে, উৎখাতের চেষ্টা করছে, আগেও বলেছে এখনও বলছে তাদের আমি পছন্দ করি না। আমি যখন দেখি জামায়াতের বড় নেতা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে বক্তব্য দিচ্ছে যে কাকে কেন কোন ওখানে দেওয়া হয়েছে প্রটেক্ট দেওয়ার জন্য। এখন বেশী প্রবলেম। বেশী কে খারাপ ছিল গোলাম আজম নিজামী নাকি খন্দকার মোস্তাক। কারণ নিজামী জামায়াতকে তো আমরা চিহ্নিত করতে পারি। কিন্তু খন্দকার মোস্তাকেরা তো পেছনের দরজা খুলে দিয়েছিল। পেছনের দরজা খুলেছিল বলেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয়েছিল। সে হিসেবে আমার কাছে মোস্তাকেরা খারাপ। তাদের চিহ্নিত করতে হবে।

প্রসঙ্গত শামীম ওসমানের দাদা খান সাহেব ওসমান আলী ১৯০০ সালে তৎকালীন বৃহত্তর কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দিতে জন্মগ্রহণ করেন। ত্রিশের দশকে তিনি নারায়ণগঞ্জে পাটের ব্যবসা শুরু করে স্থায়ী হন। খান সাহেব ওসমান আলীর রাজনৈতিক জীবনের শুরু ১৯৪৬ সালে, তৎকালীন ঢাকার নবাব হাবিবুল্লাহর জামানত বাজেয়াপ্ত করে এমএলএ নির্বাচিত হওয়ার মধ্য দিয়ে। ১৯৩৫ সালে খান সাহেব ওসমান আলী নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া রেললাইন সংলগ্ন স্থানে গড়ে তোলেন ঐতিহাসিক বায়তুল আমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের পদচারণে সিক্ত এ ভবনটিতেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী দল আওয়ামী লীগের। বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনীতে একাধিকবার এ বায়তুল আমানের কথা উল্লেখ আছে। এছাড়া বঙ্গবন্ধু বার বার খান সাহেব ওসমান আলীর কথাও লিখেছেন।

১৯৭১ সালে খান সাহেব ওসমান আলী মারা যান। অবশ্য তাঁর মৃত্যুর আগেই সত্তরের নির্বাচনে প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হয়ে রাজনীতির পাদপ্রদীপের আলোয় চলে আসেন দ্বিতীয় প্রজন্মের প্রতিনিধি একেএম শামসুজ্জোহা। বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়াও সে সময় তিনিই প্রথম নিজ গাড়িতে ইংরেজির বদলে বাংলা নম্বরপ্লেট ব্যবহার করেন। মুক্তিযুদ্ধে ভারতে বাংলাদেশের ত্রাণশিবিরে তার মমত্ত্ববোধ ও ভূমিকা ছিল অবিস্মরণীয়। মুক্তিযুদ্ধের শেষলগ্নে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে আটক থাকা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিণী শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদের মুক্ত করতে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হন তিনি। ১৯৭০ সালে গণপরিষদ সদস্য ছাড়াও ১৯৭৩ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৭ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি মারা যান শামসুজ্জোহা। মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত এ কে এম শামসুজ্জোহার জন্ম নারায়ণগঞ্জে।

পঁচাত্তরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর গ্রেফতার হন শামসুজ্জোহা। ওই বছরের ৩ নভেম্বর জাতীয় চার নেতাকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে হত্যার সময় প্রয়াত জাতীয় নেতা ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলীর সঙ্গে একই সেলে বন্দি ছিলেন। তার স্ত্রী মরহুমা বেগম নাগিনা জোহাও ভাষাসংগ্রামী ও রত্নগর্ভা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin