নারায়ণগঞ্জে শীর্ষ সন্ত্রাসী শুটার রিয়াজসহ গ্রেপ্তার ৪

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী রিয়াজ বাহিনীর প্রধান রিয়াজুল ইসলাম ওরফে শুটার রিয়াজ ও তার চার সহযোগীকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বুধবার রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও সোনারগাঁওয়ে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানান সংস্থাটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

এসময় তাদের কাছ থেকে তিনটি বিদেশি পিস্তল, তিনটি ম্যাগজিন, ১২ রাউন্ড গুলি, ৫টি ধারালো দেশীয় অস্ত্র, একটি মোটরসাইকেল ও ৬০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাব জানায়, ২০২০ সালের পর থেকে একাধিক গোলাগুলির ঘটনা ঘটে সোনারগাঁও এলাকায়। এসব ঘটনায় নিহতও হয় বেশ কয়েকজন। সবগুলো ঘটনাতেই রিয়াজ বাহিনীর সম্পৃক্ততা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

জানা গেছে, রিয়াজের নামে তিনটি হত্যা মামলাসহ ১৫টি মামলা রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি একজন পেশাদার কিলার। তিনি নারায়ণগঞ্জে অস্ত্র ব্যবসা করে আসছিলেন। শুধু তাই নয়, নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ পরিচালনার জন্য শুটার রিয়াজ একটি বাহিনীও গড়ে তোলেন।

আধিপত্য ও শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছ থেকে চাঁদাবাজিসহ এই এলাকায় মাদকের কারবার পরিচালনা করতেন রিয়াজ। কম বয়সীদের অস্ত্র সরবরাহ করে তাদের সন্ত্রাসী কাজের জন্য দলে যুক্ত করতেন তিনি।

খন্দকার আল মঈন বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় রিয়াজ বাহিনীতে ১০ থেকে ১৫ জন সদস্য রয়েছে। তাঁরা শুটার রিয়াজের নেতৃত্বে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করার জন্য প্রায় সময় অস্ত্র নিয়ে মহড়া দিতেন।

এছাড়াও রিয়াজের নেতৃত্বে এই সন্ত্রাসী দলের সদস্যরা বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত হয়ে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ, সোনারগাঁ ও সিদ্ধিরগঞ্জ এলাকায় জমি দখল, চাঁদাবাজি, মার্কেট ও বাসস্ট্যান্ডে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, ডাকাতি, অপহরণ ও মাদক ও অস্ত্রের কারবার পরিচালনা করতেন।

র‍্যাবের এই কর্মকর্তা আরো বলেন, রিয়াজের নেতৃত্বে তাঁর সন্ত্রাসী দল এসব এলাকার বালু ভরাট ও মাটি কাটার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন। ট্রাক প্রতি নির্ধারিত হারে তার দল চাঁদা নিতো।

সম্প্রতি গত ২৯ মার্চ রূপগঞ্জ এলাকায় আধিপত্য বিস্তার ও চাঁদাবাজিকে কেন্দ্র করে প্রকাশ্য দিবালোকে সশস্ত্র হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনায় একজন গুলিবিদ্ধ হয়। হামলায় আরো ২০ জন আহত হয়। সেসময়ে এলাকায় ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin