নানা ভোগান্তি উপেক্ষা করে না.গঞ্জ ছাড়ছে মানুষ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আসন্ন ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছে মানুষ। করোনা, বাড়তি ভাড়া আর বৃষ্টি উপেক্ষা করে গ্রামমুখী মানুষের স্রোত লক্ষ্য করা গেছে জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

সরেজমিনে দেখা যায় জেলার শিল্প কারখানা গুলোর গতকালই ছিল শেষ কর্মদিবস। বিকেল হতেই শিল্পাঞ্চল সংলগ্ন এলাকাগুলোতে মানুষের ঢ্ল নামে। যে যেভাবে পাড়ছে নারায়ণগঞ্জ ছাড়ছে। জেলার অন্যতম শিল্পাঞ্চল ফতুল্লার বিসিক সংলগ্ন দক্ষিন মাসদাইর ফারিহার মোড়ে ছিল মানুষের উপচেপড়া ভীড়। উত্তরবঙ্গ গামী মানুষেরা যে যেভাবে পাড়ছে বাড়ির পথে ছুটছে। ঈদের পরে কঠোর লকডাউনের জন্য পরিবারের সবাইকে নিয়েই শহর গার্মেন্টস শ্রমিকরা। ভাড়া করা মাইক্রোবাস, বাস, পিকআপ ভ্যান ও ট্রাকে করে শহর ছাড়ছে মানুষ।

সরকার ঘোষিত সাস্থ্যবিধির কোন তোয়াক্কাই করছে না গ্রামমুখী মানুষ। অধিকাংশের মুখেই ছিল না মাস্ক। গাদাগাদি করে পরিবহনে তোলা হচ্ছে যাত্রী। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী অর্ধেক আসন ফাকা থাকার কথা থাকলেও প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে গাদাগাদি করে যাত্রী তুলেছে বাস কর্তৃপক্ষ। আগের থেকে পাচ থেকে ৬ গুন বর্ধিত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ করেছে যাত্রীরা।

একই চিত্র চাষাড়ার দূরপাল্লার বাস কাউন্টারগুলোতে। টিকেটর জন্য হাহাকার যাত্রীদের মাঝে। যদিও কেউ টিকেট পাচ্ছেন তার জন্য গুনতে হচ্ছে পূর্বের থেকে ৪ থেকে ৫ গুন অতিরিক্ত ভাড়া। নগরীর অন্যতম শিল্পাঞ্চল আদমজী ইপিজেড, মেঘনাঘাটেও দেখা গেছে গ্রামমুখী মানুষের স্রোত।

এদিকে অস্বাভাবিক যাত্রী ও যানবাহনের চাপে কার্যত অচল ছিল দেশের অন্যতম প্রধান সড়ক ঢাকা-চট্রগ্রাম সড়ক। দিনভরই যান যট ছিল এই সড়কে। ধীরে ধীরে চলছে এই সড়কের যানবাহনগুলো।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin