নতুন করে লকডাউন নিয়ে যা বললেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্যসচিব

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মহামারি করোনা পরিস্থিতি বিস্তাররোধে দেশে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ ফের বাড়িয়েছে সরকার।

কায়কাউস বলেন, ভ্যাকসিনের বিষয়টা সেলার্স মার্কেট হয়ে গেছে। অগ্রিম কিছু বলা যাচ্ছে না। আগে থেকেই কিছু বললে, অনেকে (দেশ) রাগও করে বসছে। ভ্যাকসিন উৎপাদক দেশগুলো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, কিন্তু বাস্তবায়ন করছে না।এদিকে মহামারি করোনা পরিস্থিতি বিস্তাররোধে দেশে চলমান বিধিনিষেধের মেয়াদ ফের বাড়িয়েছে সরকার। ভাইরাসটির সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত বিধিনিষেধ অব্যাহত থাকবে। 


বুধবার (১৬ জুন) বিকেলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।এর আগে গত ৬ জুন বিধিনিষেধের মেয়াদ ১০ দিন বাড়িয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। সে হিসেবে বুধবার (১৬ জুন) রাতে শেষ হয় এই বিধিনিষেধ। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ফের ঊর্ধ্বগতি হওয়ায় এবং ভারতের ডেল্টা ধরন ছড়িয়ে পড়ায় এই বিধিনিধেষ বাড়ানো প্রস্তাব দেওয়া হয়।চলতি বছর করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় গত ৫ এপ্রিল থেকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়। ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ঢিলেঢালা লকডাউন হলেও সংক্রমণ আরও বেড়ে যাওয়ায় ১৪ এপ্রিল থেকে ‘কঠোর লকডাউন‘ ঘোষণা করে সরকার।

পরে সিটি করপোরেশন এলাকায় গণপরিবহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়।তবে দূরপাল্লার বাস, লঞ্চ এবং ট্রেন চলাচল ঈদ পর্যন্ত বন্ধ ছিল। পরে ২৪ মে থেকে গণপরিবহন চলার অনুমতি দেওয়া হয়। একই সঙ্গে হোটেল-রেস্তোরাঁগুলো আসন সংখ্যার অর্ধেক বসিয়ে খোলা রাখার অনুমতি দেয়া হয়।এ ছাড়া বিধিনিষেধে আগে থেকেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকান ও শপিংমল সকাল ১০টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা রাখার অনুমতি দেওয়া ছিল। এ ছাড়া জরুরি সেবা দেওয়া প্রতিষ্ঠান ছাড়া যথারীতি অফিস সীমিত পরিসরে চলছে। আর সীমিত পরিসরে হচ্ছে ব্যাংকের লেনদেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin