ধর্ষণ ঠেকাতে না.গঞ্জের ওসিদের পরামর্শ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বেশির ভাগ ধর্ষণের মামলার মূলে নারীর সম্মতিতে শারীরিক সম্পর্ককে দায় করছেন ওসিরা। কেউ আবার বলছেন, ‘আসামাজিক কার্যকালাপ আর আনলাইনে বিভিন্ন আসামাজিক সাইটের ভুমিকার কথা’। তবে, সবাই তাগিদ দিয়েছে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ব্যাপারে।


ধর্ষণ নিয়ে কাজের অভিজ্ঞতা থেকে নারায়ণগঞ্জের ৪ থানার অফিসার ইনচার্জের (ওসি) করা মন্তব্যে এমন তথ্যই বেশি প্রদান্য পেয়েছে।


ফতুল্লায় থানার অফিসার ইনচার্জ আসলান জানান, শিল্প নগরী হওয়ার কারনে এখানে বাইরে থেকে আসা মানুষের সংখা বেশি। তবে, বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা যায়- তারা অনেক দিন ধরে সম্পর্কে আছে কিন্তু পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় থানায় এসে মামলা করে। থানায় যে কোন অভিযোগ আসলেই আমরা আইনের পরিপেক্ষিতে তৎক্ষনাত ব্যবস্থা গ্রহন করি। এধরনের ঘটনা যাতে আর না হয়, সেই জন্য আমরা প্রতিনিয়ত উঠান বৈঠক করি এবং আমরা যেখানেই যাই মানুষকে সচেতন করার চেস্টা করি। তাছাড়া সবাইকে বুঝিয়ে দেয়া হয়- যারা এইসব কাজের সাথে লিপ্ত আইনে কাছে তাদের কোন ঠাই নাই। তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবেই।


সদর থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামান বলেন, আমরা সর্বদা এই ব্যাপারে সোচ্চার, আমরা প্রতিনিয়ত উঠান বৈঠক করছি। আমরা মহিলাদের বিভিন্ন ভাবে সতর্ক করছি, যাতে তারা রাতে বেশি বাইরে না থাকে। তাদের আমরা ৯৯৯ নম্বর টির সাথে অবগত করাচ্ছি, যে কোন সমস্যা হলে তৎক্ষনাত আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে।

আড়াইহাজার থানার অফিসার ইনচার্জ নজরুল জানান, এই সবের পিছনে আমি দায়ি মনে করি মানুষের ভিতর সামাজিক সচেতনতা এবং ধর্মের প্রতি বিশ্বাস কমে যাওয়া। তাদের সামাজিক সচেতনতা এবং ধর্মের প্রতি বিশ্বাস বাড়িয়ে তুলতে হবে। এছাড়া আমাদের যুবসমাজ বিভিন্ন আসামাজিক কার্যকালাপের সাথে লিপ্ত এর পিছনে আনলাইরে বিভিন্ন আসামাজিক সাইট এর ও ভুমিকা রয়েছে।

বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ ফখরুদ্দীন ভূঁইয়া জানান, বাবা-মার যে দায়িত্ব; সেই ব্যাপারে অনেকেই অসচেতন। এখানকার মানুষের সামাজিক সচেতনতাটাও কম। বেশির ভাগ লোকই বাইরের জেলা থেকে এসে বসবাস করছে। আমরা সবাইকে প্রতি মিটিংয়ে সচেতন করি এবং তাদের এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে বলি।

সূত্রঃলাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin