ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যবিধি পালনের নির্দেশ জেলা প্রশাসনের

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

আবারও মসজিদসহ অন্যান্য সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।করোনা ভাইরাস সংক্রমন প্রতিরোধে বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসন থেকে এ নির্দেশ আসে।

অন্যদিকে, হেফাজতে ইসলাম বলছেন, ‘এ গুলো হলো ইসলামকে ধ্বংষ করার ষড়যন্ত্র, আর কিছুই নয়।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত কয়েক মাস করোনার সংক্রমন কম থাকলেও এখন দ্বিতীয় ঢেউ এসেছে। তার প্রভাব পড়েছে নারায়ণগঞ্জেও। প্রতিদিনই ভাঙছে করোনা শনাক্তের প্রতিদিনের রেকর্ড। সাথে বাড়ছে করোনায় মৃত্যুও। সর্বশেষ আজও নারায়ণগঞ্জে করোনায় ১২৯ জন আক্রান্ত হয়েছে। যাপ গত ৯ মাসে সবচেয়ে বেশি। এ অবস্থায় করোনার সংক্রমন প্রতিরোধে প্রথমে মাস্ক পড়ানোর উপর জোড় দেয় প্রশাসন। এরপর নগরীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার বন্ধ ঘোষণা করেন। গতকালও জেলার সকল পর্যটন কেন্দ্র, বিনোদন পার্ক, জাদুঘর, কমিউনিটি স্টোর এবং সভা সমাবেশ বন্ধ রাখার নির্দেশদেন। আজকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জেলা প্রশাসন থেকে মসজিদসহ অন্যান্য সকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে কঠোর ভাবে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এ অবস্থায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির ও জেলা আমির মাওলানা আব্দুল আউয়াল বলেন, করোনা হলে আমাদের হবে, তোমাদের এত ব্যথা কেন আমাদের জন। গত বছর তারাবি পড়তে পারিনি। করোনা কাকে বলে, আমরা দেখেছি। ওনারা যে মুজিব বর্ষ পালন করেছে, কসাই মুদি আসছে। এত মানুষের সমাগম হলো, সব কিছু করলো। সেখানে করোনা হয়নি। আর আমরা মসজিদে তারাবির নামাজ পড়লেই করোনা। এখন আবার রমজানের ১৫ দিন বাকি রয়েছে। কোন সমস্যা দেখিয়ে কোন ঘোষণা দিয়ে দেয়। তখন আপনরা কি করবেন? না মানলে তো গুলি মারা শুরু করবে। এখন আমরা কোথায় যাবো। আমরা আন্দোলন করতে গেলে গুলি খাই, কথা বলার বাকশক্তি নাই। এ গুলো হলো ইসলামকে ধ্বংষ করার ষড়যন্ত্র, আর কিছুই নয়। আল্লাহ তুমি এই জালেমদের হাত থেকে আমাদের দেশটিকে বাঁচাও।

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin