দেশে করোনা ভাইরাসে মারা যাওয়া ৭৫ শতাংশই পুরুষ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

‘সর্বাত্মক লকডাউন’র তৃতীয় দিন দেশের ইতিহাসে করোনায় সর্বোচ্চ ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১০ হাজার ১৮২ জনে।

পরিসংখ্যান বলছে, দেশে করোনা ভাইরাসে মারা যাওয়াদের ৭৪ দশমিক ৩১ শতাংশই পুরুষ। আর নারীদের ক্ষেত্রে মৃত্যু হার ২৫ দশমিক ৬৯ শতাংশ। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টার মৃত্যুর পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলেও দেখা যায়, মৃত ১০১ জনের মধ্যে ৬৭ জনই ছিলেন পুরুষ। বাকী ৩৪ জন ছিলেন মহিলা।

বয়স বিবেচনায় দেখা যায়, সবচেয়ে বেশি মারা যাচ্ছেন ষাটোর্ধ ব্যক্তিরা। ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১০১ জনের মধ্যে ৬৩ জনেরই বয়স ছিল ষাটোর্ধ। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছর বয়সী মারা গেছেন ২৩ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সী মারা গেছেন ৮ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্যে মারা গেছেন ৭ জন এবং শূন্য থেকে ৩০ বছর বয়সী কেউ মারা যান নি।

শতকরা হিসাবেও প্রবীণদের মারা যাওয়ার হার সবচেয়ে বেশী। দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হবার পর থেকে মারা যাওয়াদের মধ্যে শতকরা ৫৬ দশমিক ৩৫ শতাংশ হলো ষাটোর্ধ। এছাড়া ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে মারা যাওয়ার হার ২৪ দশমিক ৫৮ শতাংশ। ৪১ থেকে ৫০ বয়সীদের মধ্যে এই হার ১১ দশমিক ১৩ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মধ্য মারা যাওয়ার হার ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। ২১ থেকে ৩০ এর মধ্যে ১ দশমিক ৮৯ শতাংশ, ১১ থেকে ২০ এর মধ্যে শূন্য দশমিক ৭০ শতাংশ। আর সবচেয়ে কম মারা যাচ্ছে শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সী শিশুরা। এ ক্ষেত্রে মারা যাওয়ার হার শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ। 

এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ হাজার ৪১৭ জন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এতে দেশে এখন পর্যন্ত মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ লাখ ১১ হাজার ৭৭৯ জনে।

করোনাভাইরাস নিয়ে শুক্রবার (১৬ এপ্রিল) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, এদিন সুস্থ হয়েছেন আরও ৫ হাজার ৬৯৪ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ২ হাজার ৯০৮ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরের শেষ দিকে চীনের হুবেই প্রদেশের উহান থেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হয়। এখন পর্যন্ত বাংলাদেশসহ বিশ্বের ২১৮টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯।

সুত্রঃ সময় নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin