দক্ষিন মাসদাইরে কুপিয়ে জখম,লুটপাট ঘটনায় আমি জড়িত নাঃ রাসেল

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

গত ৭ই মার্চ (রবিবার) রাতে ফতুল্লা থানার এনায়েত নগর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের বাড়ৈভোগ এলাকায় ব্যাপক তান্ডব চালিয়েছিলো এক দল কিশোর সন্ত্রাসীরা। সোহাগ নামের এক কিশোর সন্ত্রাসীর নেতৃত্বে এই তান্ডব চালানো হয়েছিলো। এতে কয়েক জনকে কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করা হয়েছে। লুটে নেয়া হয়েছে ৬৫ হাজার টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন, ব্যাপক ভাংচুর করে ক্ষতি করা হয়েছে আরো লক্ষাধিক টাকার।এই মর্মে মারধর,ছিনতাই ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন এনায়েতনগর মুসলিম নগর নিবাসী নাহিদ নামের এক হোটেল ব্যবসায়ী।

মামলায় উল্লেখ করা হয় সোহাগ,শামীম,আরাফাত, ফেরদৌস, হৃদয় সহ কয়েকজন সন্ত্রাসী দোকানে খাবার কম দিয়ার অভিযোগে গালিগালাজ করতে থাকে।

তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে নাহিদের ওপর হামলা চালায়। এসময় আসামীরা লোহার রড দিয়ে নাহিদকে এলোপাথাড়ি মারতে থাকে। নাহিদকে বাচাতে দোকানের কর্মচারীরা এগিয়ে আসলে আসামীরা ছুড়ি দিয়ে তাদেরকে জখম করে।

কিন্তু এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে দাবি করেছেন মামলার প্রধান আসামি মোঃ রাসেল ও তার পরবিবার। তারা বলেন ,ওই দিনের ঘটনার সাথে রাসেল কোনভাবে জড়িত নয় । কে বা কারা তার নাম দিয়েছে তা তাদের জানা নেই। রাসেল এর পরিবার এই মামলার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি করেছেন। রাসেলের মা ‘নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে’ জানা্‌য়, আমার ছেলে নির্দোষ হামলার সিসি ক্যমেরার ফুটেজে সে নাই বা ওই ঘটনার সাথে কোন ভাবেই জড়িত না ।

এছাড়া মামলার অপর দুই আসামী শামীম ও আরাফাতের পরবিবারের একই দাবি ,তারা এই হামলার ব্যাপারে কিছু জানেনা। কেউ হয়তো উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাদের নাম দিয়েছে। তাদের পরিবার একটি সুষ্ঠু তদন্ত করার দাবি জানিয়েছেন ।

উল্লেখ্য, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছিলেন এনায়েতনগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান, স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা রঞ্জিত মন্ডল, ৭নং ওয়ার্ডের মেম্বার জাকারিয়া জাকির, মহিলা মেম্বার রোজিনা আক্তার এবং ৯নং ওয়ার্ডের মেম্বার কামরুল হাসান। তারা অবিলম্বে প্রকৃত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে ফতুল্লা থানার নবাগত ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin