থেমে যাবো না,লড়াই চলবেঃতৈমুর

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার কায়েতপাড়া ইউনিয়ন সহ আরো কয়েকটি এলাকার ভূমিদস্যুদের বিরুদ্ধে আন্দোলনে সক্রিয় থাকার কারণেই ‘থামিয়ে’ দেওয়ার চেষ্টা করছেন দাবী করেছেন ওইসব আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়া অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। তিনি বলেছেন, আমাকে বিভিন্ন সময়ে হুমকি দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এ তৈমূর আলম খন্দকারের গায়ে রক্ত আর দম থাকতে লড়াই চলবেই।

http://www.amancem.com/?utm_source=nbulletin&utm_medium=post&utm_campaign=ads

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তৈমূর বলেন, ‘আমি সত্যের উপর দাঁড়িয়ে আছি। এ থেকে এক চুলও নড়বো না। একমাত্র মৃত্যুই পারে আমাকে এ আন্দোলন থেকে সরিয়ে নিতে। রূপগঞ্জ সহ অনেক বাঘা বাঘা নেতারা এসব ভূমিদস্যুদের কাছে জিম্মি। তারা সকলে ম্যানেজ। কিন্তু একমাত্র তৈমূর আলম খন্দকারই সচল আছে এবং থাকবে। আমি রূপগঞ্জবাসীর সঙ্গেই থাকবো।’

২০১৮ সালের ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচনের পরে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই তৈমূর আলম খন্দকারের নাম উচ্চারণ করেন।

একাদশ জাতীয় সংসংদ নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ-১ (রূপগঞ্জ) আসন থেকে প্রার্থী হতে চেয়েছিলেন অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার। কিন্তু তাকে বিএনপি দলীয় মনোনয়ন দেয়া হয়নি। প্রাথমিক বাছাইপর্বে রাখলেও চূড়ান্ত পর্যারে গিয়ে তৈমূর আলম খন্দকারকে রাখা হয়নি। ফলে নারায়ণগঞ্জ বিএনপির অনেক নেতাকর্মীদের মাঝেই ক্ষোভ রয়েছে।

২০১৯ সালের ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, যারা নমিনেশন নিয়ে ট্রেড (বাণিজ্য) করেছে, অকশন (নিলাম) করেছে, তারা কী করে আশা করে যে নির্বাচনী জয়ী হবে। সিলেটে ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি, যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকেই নমিনেশন দেওয়া হয়েছে। ইনাম আহমেদ চৌধুরীকে নমিনেশন দিলে তিনি হয়তো জিততে পারতেন। ধামরাইয়ে আতাউর রহমান খানের ছেলে জিয়াউর রহমান খান নমিনেশন পাবে বলেই ধারণা ছিল। তিনি হয়তো জিততেনও কিন্তু তাকে নমিনেশন দেওয়া হয়নি, নারায়ণগঞ্জে তৈমুর আলম খন্দকারকে নমিনেশন দেওয়া হয়নি- এরকম আরও অনেক জায়গায় তারা যে বেশি টাকা দিয়েছে তাকে নমিনেশন দিয়েছে।’

এর আগে ৩১ ডিসেম্বর গণভবনে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেখতে আসা দেশি বিদেশি পর্যবেক্ষক এবং বিদেশি গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে শেখ হাসিনা বিএনপির প্রার্থীতা বাছাই প্রসঙ্গে তৈমূর আলম খন্দকারের নাম উচ্চারণ করে নিজের মতামত জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তখন বলেন, ‘যে বেশি টাকা দিতে পেরেছে সেই মনোনয়ন পেয়েছে এবং এ কারণে তারা তাদের অনেক জয়ী হওয়ার যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেয়নি। এমন অনেকেই মনোনয়ন পাননি। ‘আমি উদাহরণ দিয়ে দেখাতে পারি, ঢাকার ধামরাইয়ে জিয়াউর রহমান তাদের যোগ্য প্রার্থী ছিলেন, কিন্তু তিনি মনোনয়ন পাননি। নারায়ণগঞ্জের তৈমূর আলম তিনিও তাদের বিজয়ী প্রার্থী হতে পারতেন। তাঁকেও মনোনয়ন দেওয়া হয়নি। সিলেটে তাদের বিজয়ী হওয়ার মতো নেতা ইনাম আহমদ চৌধুরীকেও তারা মনোনয়ন দেয়নি।’

জানা গেছে, চারবার নির্বাচন করতে গিয়ে ব্যর্থ হলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি তৈমূর আলম খন্দকার। কখনো নির্বাচনের ঠিক আগ মুহূর্তে কোরবানি হয়েছে এই বর্ষীয়ান নেতা। আবার কখনো মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন।

এর আগে ২০০৭ সালে ওয়ান এলেভেনের পর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসন থেকে দলীয় মনোনয়ন পান তৈমূর আলম খন্দকার। সেবার কেন্দ্রীয় ভাবে বিএনপি জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণ না করায় তৈমূর আলম খন্দকার নিবার্চন থেকে সরে দাঁড়ান।এদিকে ১৪ নভেম্বর শনিবার নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সাদাছড়ি বিতরণের সময়ে সুপ্রীর্ম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের কার্যকরী সদস্য ব্যারিস্টার মার-ই-য়াম খন্দকার বলেন, একটি কুচক্রী মহল তৈমূর আলম খন্দকারের ভাল কর্মকে খারাপ ভাবে তুলে ধরছে। এজন্য সকলকে সর্তক থাকার আহবান জানাই।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin