তৈমূরের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনা অস্বীকার করলো:ছাত্রলীগ সভাপতি

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার রূপসীতে খন্দকার বাড়িতে বিএনপি চেয়াপারসনের উপদেষ্টা তৈমূর আলম খন্দকারের জন্মদিনের একটি অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনায় যখন উপজেলা ছাত্রলীগকে দোষারোপ করা হচ্ছে তখন সভাপতি দাবী করেছেন তারা কোন হামলা করেনি।

১৯ অক্টোবর সোমবার বিকেলে রূপগঞ্জের রূপসী খন্দকার বাড়িতে ওই হামলার ঘটনা ঘটে।

তৈমূর আলম খন্দকারের সহকারী আলাল জানান, বিএনপি চেয়ারপারসনের রোগমুক্তি কামনা, তৈমূর আলম খন্দকারের জন্মদিন উপলক্ষ্যে রূপসী খন্দকার বাড়িতে দোয়ার আয়োজন করা হয়। বিকেল ৩টার মধ্যে মঞ্চে উপস্থিত হন মাহমুদুর রহমান মান্না, তৈমূর আলম খন্দকার, তার মেয়ে মার-ই-য়াম সহ অনেকেই। অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার দেড় ঘণ্টা পর রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল শিকদারের নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন রামদা, হকিস্টিক, লাঠি নিয়ে হামলা চালায়। উপস্থিত লোকজনদের একের পর এক মারধর করতে থাকে। মাহমুদুর রহমান মান্না, তৈমূর আলম ও তাঁর মেয়ে মার-ই-য়ামকে মঞ্চ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিয়েছে। মঞ্চে থাকা চেয়ার টেবিল, সাউন্ড সিস্টেম ভাঙচুর করা হয়। এছাড়াও রামদায়ের আঘাতে কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছে। এছাড়াও হামলাকারীরা অনুষ্ঠান মঞ্চের বাইরে থাকা কয়েকটি গাড়ি ও মটরসাইকেল ভাঙচুর করে। আকস্মিক এ হামলায় লোকজন আতংকিত হয়ে পড়ে।

তৈমূর আলম খন্দকার জানান, ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল শিকদারের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। মাহমুদর রহমান মান্নাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেছে। তিনি আহত।

রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, সন্ধ্যা পৌনে ৬টা পর্যন্ত তাদের কাছে হামলার কোন খবর আসেনি। তবে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে।

রূপগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি ফয়সাল শিকদার বলেন, ‘আমরা কোন হামলা করিনি। ওই এলাকার ছাত্রলীগ যুবলীগ সহ অন্যান্য সংগঠনের যারা আছে তারা তাদের জিজ্ঞাসা করতে সেখানে যায়। যে কি অনুষ্ঠান চলছে। তখনও তাদের অনুষ্ঠান চলছিল। পরবর্তীতে তারা অনুষ্ঠান বাতিল করে। হামলার অভিযোগ মিথ্যা।’

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin