তীব্র গরমে অতিষ্ঠ নারায়ণগঞ্জবাসী

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

টানা ৫ দিনের তীব্র তাপদাহে পুড়ছে নারায়ণগঞ্জ সহ সারা দেশ। ভ্যাপসা গরমের প্রভাবে জন জীবন হয়ে উঠেছে অতিষ্ঠ। স কালের সূর্যের তেজ ই জানান দেয় আগাম তাপদাহের বার্তা। গ্রীষ্ম শেষ হয়েছে সেই কবে। বর্ষাও বিদায় নিচ্ছে বলে। সামনে শরতের হাতছানি। বরষা শেষ হতে না হতেই যেন আবার ও গ্রীষ্মের ফিরে আসার প্রচেষ্টা।

টানা ৫ দিনের গরমে যে কারো কাছে মনে হতে পারে এ যেন কোন গ্রীষ্মের দিন। গরমের দাবদাহে অল্পতেই শরীর ক্লান্ত হয়ে উঠে। বাতাসে আদ্রতা বেশী থাকায় ঘামে শরীর ভিজে একাকার। তার উপর করোনা ভাইরাসের জন্য সারাক্ষন মাস্ক পড়ে থাকায় গরমের প্রকোপটা যেন আরো তীব্র। যারা জীবন ও জীবিকার কাজে বাহিরে বের হচ্ছেন তীব্র তাপদাহের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। বাড়ীতে বসে থেকেও স্বস্তি নেই।

টানা লোডশেডিংয়ে বাসায় ও আরামের ব্যবস্থা নেই নগরবাসীর। গরমের ভিতরে জীবন ও জীবিকার তাগিদে বাহিরে বের হওয়া নগরবাসী তৃষ্ণা মেটাতে শরনাপন্ন হচ্ছেন রাস্তার ধারের আখের শরবত বা লেবুর শরবতের দোকানে। নগ রীর শহীদ মিনারের সামনে পসরা সাজিয়ে বসা দোকানীরা শরবত বিক্রিতে ব্যাস্ত। রিকশাচালক মোতালেব মিয়া সকাল ৮টায় বের হয়ে যাত্রীর অপেক্ষায় বসে আছেন।

প্রচন্ড গরমে ক্লান্ত মোতালেব মিয়া শহীদ মিনারের সামনে থেকে এক গ্লাস লেবুর শরবত খেয়ে আবার যাত্রীর খোজে বের হয়ে পড়েন। দিন-মজুর, শ্রমজীবী কিংবা নিন্ম আয়ের মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর জন্য শেষ ভরসা নগরীর এই ভাসমান দোকান গুলো। মধ্যবৃত্ত কিংবা উচ্চবৃত্ত পরিবারের মানুষেরা যাচ্ছেন নগরীর ফাস্টফুড কিংবা রেস্টুরেন্টগুলোতে। নগরীর সুগন্ধা ফাস্টফুডে পাওয়া গেল রাফিন ভুইয়া নামে একজন আইনজীবীকে।

গরমের মাঝে কাজের ফাকে নিজেকে সতেজ করতে এসেছেন এই ফাস্টফুডের লাচ্ছি খেতে। তার মত আরো কয়েক জনকে পাওয়া গেল লাচ্ছি কিংবা ফালুদা খাচ্ছে এই গরমে। সহসাই এই আবহাওয়ার পরিবর্তনের কোন সম্ভাবনা দিতে পারেনি আবহাওয়া অফিস। আরো কিছুদিন হয়তো নগরবাসীকে ভোগ করতে হবে এই তাপদাহ।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin