তাকে নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড়, জানতেনই না সেই পুলিশ সদস্য

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

একজন কলেজ শিক্ষিকাকে হেনস্তা ও কটুক্তি করায় পুলিশের ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগে কর্মরত এক কনস্টেবলকে নিয়ে দেশজুড়েই আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। সেই পুলিশ সদস্যর নাম নাজমুল তারেক। রোববার (৩ এপ্রিল) সোশ্যাল মিডিয়ায় এই পুলিশ সদস্যর গ্রেফতার ও তার কঠোর শাস্তিরও দাবি করা হয়েছে। তাকে নিয়ে যে দেশজুড়ে তোলপাড় চলছে, তা কিছুই টের পাননি অভিযুক্ত পুলিশ কনস্টেবল। ধর্মভীরু নাজমুলের নেই স্মার্টফোন, দেখতেন না টেলিভিশন। যার ফলে সেই শিক্ষিকার সঙ্গে ঘটে যাওয়ার ঘটনার পরে কিছুই টের পাননি তিনি।

কপালে টিপ পরে হেঁটে যাওয়ার সময় রাজধানীর ফার্মগেট এলাকায় লাঞ্ছিত ও হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছেন অভিযোগ করে শনিবার শেরেবাংলা নগর থানায় জিডি করেন কলেজশিক্ষক ড. লতা সমাদ্দার। তিনি রাজধানীর তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের প্রভাষক।

অভিযোগে লতা বলেন, টিপ পরায় এক পুলিশ সদস্য তাকে উত্ত্যক্ত করেন। প্রতিবাদ করলে তাকে মোটরসাইকেল চাপা দিয়ে হত্যাচেষ্টাও করেন সেই ব্যক্তি। পুলিশ সদস্যের দেহের গড়ন বলতে পারলেও তখন তার নাম জানাতে পারেননি ওই শিক্ষক। এরপর সোমবার সকালে কনস্টেবল নাজমুল তারেককে শনাক্ত করার কথা জানায় পুলিশ।

জানা গেছে, পুলিশ কনস্টেবল নাজমুল তারেক ডিএমপির প্রটেকশন বিভাগে দায়িত্বরত। তিনি সচিবালয় থেকে কার্জন হলের পূর্ব দিকের গেট পর্যন্ত ভিআইপি মুভমেন্টের সময় দায়িত্ব পালন করেন। নাজমুল থাকেন মিরপুর পুলিশ লাইনে। সেখান থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি ভিআইপি, ভিভিআইপিদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করতেন। ঘটনাস্থলের আশপাশের বিভিন্ন দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নাজমুলকে শনাক্ত করা হয় বলে জানিয়েছেন তেজগাঁও থানার ডিসি বিপ্লব কুমার সরকার।

শেরে বাংলা নগর থানার একজন কর্মকর্তা জানান, ‘টিপ নিয়ে নারীকে হেনস্তার পরদিনও তিনি তার নির্ধারিত জায়গায় দায়িত্ব পালন করেন। দেশজুড়ে সমালোচনা ও প্রতিবাদের কিছুই জানতেন না নাজমুল। কারণ তিনি ধার্মিক প্রকৃতির হওয়ায় স্মার্টফোন ব্যবহার করতেন না। দেখতেন না টেলিভিশন। একটি সাধারণ (ফিচার) নোকিয়া ফোন ছিল নাজমুলের।’ নাজমুলের গ্রামের বাড়ি যশোরে বলে জানান ওই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, রোববার রাতে শনাক্ত করার পর সোমবার সকালে নাজমুলকে ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনারের কার্যালয়ে আনা হয়। তখনই প্রথম সারা দেশে তোলপাড়ের বিষয়টি জানতে পারেন নাজমুল।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin