ডায়াবেটিস রোগীরা কী কী খাবার খেতে পারবেন?

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ডায়াবেটিস রোগীদের খাওয়াদাওয়াতে নিয়মের কোনও শেষ নেই। মিষ্টি থেকে আলু সবকিছুই তাদের খাওয়া নিষেধ। তাই প্রতিদিনের রুটিনে তাদের রাখতে হয় করলা কিংবা লাউয়ের রসসহ হালকা খাবার। যাকে বলা হয় ‘সুপার ফুড’। আর এই সুপার ফুড খেতে গিয়ে অনেকে নানা সমস্যা সম্মুখীন হয়ে পড়ছেন। শরীরে দেখা দিচ্ছে নানা রকম রোগ।  

এত সমস্যা নিয়ে থাকা ডায়াবেটিস রোগীরা আসলে খাবেন কী? সে বিষয়ে নিয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা। তাদের মতে, ডায়াবেটিস ডায়েট বলে কিছু হয় না। ডায়াবেটিস হলেও সাধারণ সুষম খাবার খাওয়া যাবে। যাতে কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন, ফ্যাট আছে মাপমতো।

এ ছাড়া কী ধরনের খাবার খেতে পারবেন ডায়াবেটিস রোগীরা, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছে বিজ্ঞানীরা।

আলু খাওয়া যাবে: আলুতে আছে ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, যা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমিয়ে ডায়াবেটিকদের উপকার করে। যদিও আলুর গ্লাইসিমিক ইনডেক্স (জিআই) বেশি। অর্থাৎ রক্তে চট করে সুগার বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু শাকসবজির সঙ্গে মিশিয়ে নিলে ফাইবারের বদলে পুরো খাবারের জিআই কমে যায়। তখন তা নিশ্চিন্তে খাওয়া যাবে।

এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ প্রিয়াঙ্কা মিশ্র বলেন, আলু ভাজা নয়। খেতে হবে সেদ্ধ করে বা তরকারি দিয়ে। আর কোনোদিন যদি আলু সেদ্ধ বা আলুর তরকারি খাওয়ার প্ল্যান থাকে, সেদিন ভাত–রুটি একটু কম খেলেই ঝামেলা মিটে যাবে।

ফাইবারসমৃদ্ধ সুষম খাবার খাওয়া যাবে: ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারের মধ্যে হোল-গ্রেইন আটা, ব্রাউন বা ওয়াইল্ড রাইস, ব্রাউন ব্রেড, ফল খেতে বলা হয়। সবজি ও ফল দিনে ১০০ গ্রামের মতো খাওয়া খাবে। আম, কলা, মিষ্টিও বছরে দুই একবার খেতে পারেন। তবে ভরা পেটে, ফাইবারসমৃদ্ধ খাবারের সঙ্গে।

এ ছাড়া প্রতিদিন একটি ডিম, ১০০ গ্রাম মাছ, চিকেন ব্রেস্ট পিস খেতে পারেন। তবে গরুর মাংস বাদ না দিলেও চর্বিওয়ালা অংশ খাওয়া যাবে মাসে দু-এদিন। 

পুষ্টিবিদ বিজয়া আগরওয়াল বলেন, ফ্যাট কম খেলেও ভালো ফ্যাটে যেন কার্পণ্য না হয়। কাঠবাদাম বা আমন্ড, আখরোট, তিসি, সূর্যমুখীর ও চালকুমড়োর বীজ, অ্যাভোক্যাডো, অলিভ অয়েল অল্প করে খেতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, সুপার ফুড অর্থাৎ আমলকি, রসুন, পালং, মেথি, টোমেটো, ফাইবারসমৃদ্ধ খাবার, অ্যামন্ড, করলা, কাঁচা হলুদ ইত্যাদি ইচ্ছে হলে খেতে পারেন। তবে নিয়ম মেনে। যেমন-মেথি ভেজানো জল নয়, খান মেথির গুঁড়ো। লাউ–করলার রস না খেয়ে রান্না করে খান। প্যাকেটের আমলকি বা আমলকির রসের বদলে কাঁচা বা সেদ্ধ আমলকি খান। কাঁচা হলুদ খেতে পারেন। রান্নাতে দিলেও ভাল, যদি তা ঘরে বাটা হয়। রসুনও কাঁচা বা রান্নায় দিয়ে খেতে পারেন।

সূত্রঃআনন্দবাজার পত্রিকা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin