ট্রাম্পের আদালতে যাওয়ার ঘোষণাকে অপরিপক্ক এবং অনাকাঙ্খিত বলছেন সাবেক দায়িত্বশীলরা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

মার্কিন গণতন্ত্র এবং নির্বাচন ব্যবস্থা সারা বিশ্বে অনুকরনীয়। সেখানে মেইল ব্যালট ইস্যুতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের আদালতে যাওয়ার ঘোষণা নিয়ে চলছে তোলপাড়। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এমন আচরণকে অপরিপক্ক এবং অনাকাঙ্খিত আখ্যা দিয়েছেন দেশটির সাবেক দায়িত্বশীলরা।

বিশ্লেষকরা বলছেন, খোদ প্রেসিডেন্টের এমন মন্তব্যে আস্থা হারাবেন সাধারণ মানুষ।যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা জন বোল্টন বলেন, সেই পুরোনো ট্রাম্প.. অপরিপক্ক, অরাজনৈতিক সুলভ আচরণ। ৪ বছর ক্ষমতায় থাকার পরও তিনি প্রেসিডেন্টে সুলভ ব্যক্তিত্বের সামান্যতমও অর্জন করতে পারেন নি। নইলে যখন নির্বাচন শেষ, ভোট গণনা চলছে তখন এমন মন্তব্য কেউ করে..??

বিশ্লেষকরা বলছেন, বিচার বিভাগ এবং প্রশাসনকে মুখোমুখি দাড় করাতে চাইছেন ট্রাম্প। যা ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য।জন বোল্টন বলেন, কোনো রাজ্য যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভোট গণনা শেষ না করতে পারে তাহলে এটা সেই কর্তৃপক্ষের জন্য বড় ব্যর্থতা। কোনো গভর্নরই চাইবেন না তার রাজ্যে ভোট গণনায় দেরি হোক। তাই প্রত্যেকেই নিজ দায়িত্ব পালনে সচেতন। অথচ ট্রাম্প যখন ফল ঘোষণা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং আদালতে যাওয়ার হুমকি দেন তখন পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া এবং প্রশাসন প্রশ্নবিদ্ধ হয়। প্রেসিডেন্ট হিসেবে এমন মন্তব্য লজ্জাজনক।

গবেষক, ব্রিটেনের গবেষক ড. লেসলি ভিনজ্যামরি বলেন, ফল ঘোষণায় দেরী আর সহিংসতার আশঙ্কা থাকায় পুরো পরিস্থিতিই খুব নাজুক। যেকোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। এরমধ্যেই ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পরিণতি খুবই ভয়াবহ হতে পারে। কারণ, যখন নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন খোদ প্রেসিডেন্ট এবং এ ঘটনায় তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন তখন সাধারণ মানুষের যাওয়ার আর কোনো জায়গা থাকে না।যদিও ফলাফল ঘোষণা এবং আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মন্তব্যের কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি মার্কিন নির্বাচন কমিশন।

সূত্রঃযমুনা টিভি

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin