টিকা না পেয়ে ভিক্টোরিয়ায় নার্স- স্বেচ্ছাসেবককে মারধর

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতাল কেন্দ্রে করোনার টিকা দিতে কালক্ষেপণ করায় হাসপাতালের স্টাফ ও স্বেচ্ছাসেবকদের মারধর ও লাঞ্চিত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে দুজন টিকা গ্রহীতার বিরুদ্ধে।

আজ মঙ্গলবার (২৪ আগস্ট) ভিক্টোরিয়া হাসপাতালের একটি টিকা বুথে এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেনারেল (ভিক্টোরিয়া) হাসপাতালের স্টাফ সাউদ নূর, আরবান কমিউনিটির স্বেচ্ছাসেবক মো. রবিন, লাঞ্চিত হয়েছেন অর্পনা নামের এক নার্স।

মারধরের শিকার আরবান কমিউনিটির স্বেচ্ছাসেবক মো. রবিন বলেন, নিয়মিত বরাদ্দের টিকা দুইটার আগেই শেষ হয়ে যায়। তখন সর্বোচ্চ ৩০ জন টিকাগ্রহীতা লাইনে ছিলেন। অতিরিক্ত টিকা আনার প্রক্রিয়া চলমান থাকাকালীন লাইনে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাদের তাৎক্ষণিক টিকা দিতে হবে বলে হাসপাতালের স্বেচ্ছাসেবক ও স্টাফদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন। এক পর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবক রবিনকে মারধর শুরু করেন তারা। তাদের থামাতে এসে মারধর ও লাঞ্চনার শিকার হন হাসপাতালের ওয়ার্ডবয় সাউদ নূর ও নার্স অপর্না। সাউদ নূরের হাতে থাকে হ্যান্ড মাইক আছাড় মেরে ভেঙে ফেলার ও অভিযোগ করা হয় টিকাগ্রহীতার বিরুদ্ধে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান সদর মডেল থানার শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. সাঈদুজ্জামান। তিনি নারায়নগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, টিকা নিয়ে হাসপাতালের স্টাফ ও টিকা গ্রহীতাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি হয়। পরে স্টাফদের সাথে দুর্ব্যবহার ও তাদের লাঞ্চিত করেন দুই ব্যক্তি। এ বিষয়ে মিমাংসা হয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষও কোনো অভিযোগ করতে চাননি বলে মুচলেকা নিয়ে ছাড়া হয়েছে অভিযুক্ত দুই ব্যক্তিকে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে হাসপাতালের আবাসিক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সকাল থেকে শৃঙ্খলার সাথে টিকাদান কার্যক্রম চলছিল। তৃতীয় তলার ওই বুথে নিয়মিত টিকা বরাদ্দ শেষ হয়ে গেলে অতিরিক্ত আরও টিকা আনার প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু উচ্ছৃঙ্খল কয়েকজন টিকাগ্রহীতা এই কান্ড ঘটিয়েছে। এই ঘটনার পর কিছুক্ষণ টিকা প্রদান কার্যক্রম বন্ধ থাকে। পরে পুলিশ এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়। তিনি আরো বলেন এ রকম অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে হাসপাতালের নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হবে।

এদিকে একটি সূত্র জানায়, আটক দুই ব্যক্তিকে পুলিশ প্রথমে হাতকড়াও পড়ালেও পরে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়। তাহের আলী নামে স্থানীয় এক প্রভাবশালী ব্যক্তির তদবিরে কোনো অভিযোগ ছাড়াই অভিযুক্ত দু’জনকে ছেড়ে দেয় বলে সূত্রটি জানায়।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin