জনগণকে সেবা দেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য: মাসুম আহমেদ

শেয়ার করুণ

প্রশ্নঃ আপনি নির্বাচনে একেবারে নতুন মুখ। কী বলবেন?

মাসুম আহমেদ: কলেজ জীবন থেকে বঙ্গবন্ধুর রাজনীতি করছি। জনপ্রতিনিধির নির্বাচন এটাই প্রথম। তবে আত্মীয়স্বজনেরা নির্বাচন করেছেন। তাঁদের সেসব নির্বাচনে কাজ করেছি। আর এলাকার সব নেতা–কর্মী আমার জন্য কাজ করছেন।

প্রশ্নঃ নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন এর ১৪ নং ওয়ার্ডের বর্তমান চিত্র আপনি কীভাবে দেখছেন?

মাসুম আহমেদ : ১৪ নং ওয়ার্ডে জনগণ নানা সমস্যায় জর্জরিত। সবচেয়ে বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। এটা নিরসনে বর্তমান কাউন্সিলর কোনো কাজই করেননি। সিটি কর্পোরেশন থেকে করসহ নানা কাজে জনগণের টাকা নেওয়া হয়। এই ওয়ার্ডে ধনী থেকে গরিব সবাই ভুক্তভোগী।

প্রশ্নঃ কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে কী করবেন?

মাসুম আহমেদ : যদি জনগণ আমাকে কাউন্সিলর নির্বাচিত করেন, তবে সবকিছুর আগে ওয়ার্ডে জলাবদ্ধতা দূর করতে কাজ শুরু করব। ওয়ার্ডেকে শতভাগ দুর্নীতিমুক্ত করব। জনগণকে সেবা দেওয়াই হবে মূল লক্ষ্য। শিশু–কিশোরদের মেধা বিকাশের জন্য লাইব্রেরি ও বিনোদন এর ব্যাবস্থা করবো।

প্রশ্নঃ প্রচারণায় প্রতিপক্ষকে নিয়ে ব্যাপক আক্রমণাত্মক বক্তব্য দিতে দেখা যাচ্ছে, এটা কেন?

মাসুম আহমেদ : আমি কটাক্ষ করে কাউকে কিছু বলি না। আমি চাঁদাবাজি করি না। অন্যায় করি না। কিছু কিছু লোক আমার ছেলেদের ও পরিবার নিয়ে বাজে কথা বলে, আমাকে যদি কেউ গালি দেয়, তাহলে কি আমার আত্মীয়স্বজন বসে থাকবে।

প্রশ্নঃ ভোটারদের কেমন সাড়া পাচ্ছেন?

মাসুম আহমেদ : ভোটাররা পরিবর্তন চান। বিশেষ করে নারী ভোটাররা আমাকে ভোট দেওয়ার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন। তাঁরা বর্তমান কাউন্সিলর এর প্রতি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ।

প্রশনঃ আপনি ১৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদে বসলে জনগণ কতটা আস্থা পাবে?

মাসুম আহমেদ: আশাকরি, আমি তাদের আস্থার সুন্দর প্রতিফলন ঘটাতে পারবো।

প্রশ্নঃ কেমন ভোট পাবেন বলে আশা করছেন? নির্বাচনে প্রশাসনের ভূমিকা কী?

মাসুম আহমে: ৫০-৬০ ভাগ ভোট আমি পাব। জনগণ আমাকে ভোট দেবে। প্রশাসনের ভূমিকা আপাতত ঠিক আছে। প্রচার–প্রচারণায় কোনো বাধার মুখে পড়িনি। আমি আশাবাদী ভোটের দিন পরিবেশ ভালো থাকবে।

সাক্ষাৎকারের জন্য সময় দেওয়ায় ধন্যবাদ।
মাসুম আহমে : আপনাকেও ধন্যবাদ।

নিউজটি শেয়ার করুণ