ছাত্রলীগের পদধারী নেতার মাদক সেবনের ছবিতে বিব্রত নেতারা!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদকের মাদক সেবনের ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশের দুই সপ্তাহের ব্যবধানে আরও এক ছাত্রলীগ নেতার মাদক সেবনের ছবি ছড়িয়েছে সর্বত্র। এবার সমালোচনায় মহানগর ছাত্রলীগের ‘অর্থ বিষয়ক সম্পাদক’ মির্জা তোফা আহমেদ। তোফার ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি ঘরের বিছানায় বসে মরণ নেশা ইয়াবা সেবনরত। তবে, ছবির বিষয়ে এ নেতা বক্তব্য ‘সব মিথ্যা’।

মাদকের বিরুদ্ধে যখন জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে বর্তমান সরকার। ছাত্রলীগের পদধারী নেতার মাদক সেবনের ছবিতে বিব্রতবোধ করেন নারায়ণগঞ্জ আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগের নেতারা।

ছাত্রলীগ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ফতুল্লা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের রেল লাইনের পাশের এলাকার বাসিন্দা মির্জা তোফা আহমেদ। কয়েক বছর আগে তোলারাম কলেজে ভর্তি হন। সখ্যতা তৈরি করেন মহানগর ছাত্রলীগের এক শীর্ষ নেতার সাথে। অর্জন করেন সেই নেতার আস্থাও। ২০১৯ সালের ২৮ জুলাই মহানগর ছাত্রলীগের কমিটিতে অর্থ সম্পাদক পদটি ভাগিয়ে নেন এ তোফা। এরপর আর পিছনে তাকাতে হয়নি। অভিযোগ রয়েছে, কলেজ ক্যাম্পাসের আশেপাশে মাদক বিক্রি ও চাষাঢ়া প্লাট ফর্মে ছিনতাইকারীদের মদদ দেওয়ার।

অপরদিকে, মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক হাসনাত রহমান বিন্দু বলেন, বঙ্গবন্ধুর নিজ হাতে গড়া সংগঠন হচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। তার নীতি ও আদর্শের উপরে বর্তমানেও ছাত্রলীগ পরিচালিত হয়। যদি কারো কর্মকান্ডে সংগঠন বিতর্কিত হয়, তাহলে সাংগঠনিক ভাবে যতটুকু ব্যবস্থা নেওয়ার, তা যতদ্রুত সম্ভব ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কারো ব্যক্তি দায় সংগঠন নিবে না। এসব কর্মকান্ড আমাদের জন্য বিব্রতকর।

মাদক সেবন ও বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে ছাত্রলীগ নেতা মির্জা তোফা আহমেদ জানান, এ গুলো সব মিথ্যা। আমি এ গুলোর সাথে আমি জড়িত না।

এ ব্যাপারে ফতুল্লা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আসলাম হোসেন জানান, মির্জা তোফা আহমেদের বিরুদ্ধে পূর্বে আমার কাছে অভিযোগ ছিল না। সে যদি মাদকের সাথে জড়িত হয়, তাহলে অবশ্যই ব্যবস্থা নিবো।

প্রসঙ্গত, গত ৮ অক্টোবর জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক’র একটি ইয়াবা সেবনের ছবি প্রকাশে ব্যাপক সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছিল।

সূত্রঃ লাইভ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin