চেয়ারম্যান পদে আ.লীগের ঘরে ‘বিদ্রোহী’দের হানা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বগুড়ার শেরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন আওয়ামী লীগের ঘরেও। এসব প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে অনেকটা শঙ্কিত আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীরাও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ছাড়া যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরা সবাই স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন ভবানীপুর ইউনিয়নে সাজ্জাদ হোসেন, সীমাবাড়িতে সাইফুল ইসলাম খান, সুঘাট ইউনিয়নে টি এম গফুর, বিশালপুর ইউনিয়নে জাকির হোসেন খান, এস এম রাফিউল ইসলাম ও সুধান্য চন্দ্র।

বগুড়ার শেরপুরে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন আওয়ামী লীগের ঘরেও। এসব প্রার্থী নিয়ে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরাও বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। এ নিয়ে অনেকটা শঙ্কিত আওয়ামী লীগের দলীয় মনোনীত প্রার্থীরাও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আওয়ামী লীগের একক প্রার্থী ছাড়া যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, তাঁরা সবাই স্থানীয়ভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতি করেন।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীরা হলেন ভবানীপুর ইউনিয়নে সাজ্জাদ হোসেন, সীমাবাড়িতে সাইফুল ইসলাম খান, সুঘাট ইউনিয়নে টি এম গফুর, বিশালপুর ইউনিয়নে জাকির হোসেন খান, এস এম রাফিউল ইসলাম ও সুধান্য চন্দ্র।

সীমাবাড়ি ইউনিয়নে অন্তত দুই বছর ধরে স্থানীয় আওয়ামী লীগের লোকজনের সঙ্গে চলাফেরা সাইফুল ইসলাম খানের। তিনি এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রার্থী হয়েছেন। দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে অবস্থান নিতেই দলের কেউ সাইফুল ইসলামকে প্রার্থী করেছেন এমন দাবি সীমাবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রতন বসাকের।

উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নে দলীয়ভাবে পরিচিত টি এম গফুর। তিনিও এবারের নির্বাচনে এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে অংশগ্রহণে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। টি এম গফুর প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর ইউনিয়নের বাঙালি নদীর পূর্বপাড়ে চারটি ওয়ার্ড। ভোটসংখ্যা ইউনিয়নের মোট ভোটারের চেয়ে বেশি। কিন্তু এই নদীর পূর্বপাড়ে তিনিই একমাত্র চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী। চার ওয়ার্ডবাসীর সমর্থনের তিনি নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছেন।

শেরপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে যাঁরা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin