চাষাড়ায় বামজোটের হরতালে পুলিশের লাঠিচার্জ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জে বাম গণতান্ত্রিক জোটের হরতালে বাধা দিয়ে নেতা-কর্মীদের উপর লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ৷

আজ সোমবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টার দিকে নগররীর চাষাঢ়ায় বামজোটের হরতালের সমর্থনের মিছিলে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হন।

ভোজ্যতেল, চাল, ডালসহ নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য কমানোর দাবিতে সকাল ৬টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত বামজোট আহুত সারাদেশে হরতালে সকাল পৌনে ৬টায় জোটের নেতা-কর্মীরা নারায়ণগঞ্জ শহরের দুইনম্বর রেলগেইট এলাকা থেকে মিছিল বের করে৷ মিছিলটি একাধিকবার শহরের প্রধান সড়ক বঙ্গবন্ধু সড়ক প্রদক্ষিণ করে৷ এ সময় জোটের নেতা-কর্মীরা সড়কে চলাচল করা যাত্রীবাহী বাস, পণ্যবাহী ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহন আটকে দেয়৷ বেলা ১২টা পর্যন্ত হরতাল সমর্থনে যানবাহন চলাচলে নিরুৎসাহিত করেন৷ মিছিল চলাকালীন চাষাঢ়ার মেডিনোভা হাসপাতাল, চাষাঢ়া ও গলাচিপার মোড়ে তিনটি হাতবোমা বিস্ফোরিত হয়৷

শুরুর দিকে বাধা না দিলেও পৌনে সাতটার দিকে চাষাঢ়ায় আসেন সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহ্ জামান৷ এ সময় বামজোটের মিছিলটি চাষাঢ়ার বিজয়স্তম্ভের সামনে আসলে ওসির নেতৃত্বে পুলিশ বাধা দেয়৷ বাধা উপেক্ষা করে মিছিলটি এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ৷ এ সময় কয়েকজন কর্মী লাঠিচার্জের পরও বাম নেতারা মিছিল অব্যাহত রাখেন৷ এরপর মিছিলটি ২ নম্বর রেলগেইট এলাকায় আসলে আবারও বাধা দেয় পুলিশ৷ এ সময় পুলিশ ও বাম নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে৷

পুলিশের লাঠিচার্জের প্রতিবাদে ২ নম্বর রেলগেইটে সমাবেশ করেন বামজোটের নেতারা৷ এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাম গণতান্ত্রিক জোটের জেলা সমন্বয়ক ও বাসদের সমন্বয়ক নিখিল দাস, জেলা সিপিবির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক তরিকুল সুজন, নির্বাহী সমন্বয়কারী অঞ্জন দাস, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি আবু হাসান টিপু, বাসদ নেতা আবু নাঈম বিপ্লব প্রমুখ৷

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin