চাষাড়ায় জমজমাট কোরবানির গোস্তের আস্থায়ী হাট

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ঈদের দিন নারায়ণগঞ্জের প্রানকেন্দ্র চাষাড়ার বিভিন্ন স্থানে বসেছে কোরবানির গোস্তের ভ্রাম্যমাণ হাট; যেখানে বিক্রেতাদের কেউ একদিনের কসাই আর কেউ একদিনের মাংস ব্যবসায়ী। নিম্ন আয়ের অনেকেই স্বচ্ছল আত্মীয়-স্বজনদের কাছে পাওয়া মাংস টাকার প্রয়োজনে বিক্রি করেছেন।

ঈদের দিনের এই ভ্রাম্যমাণ মাংসের হাটে নিম্ন আয়ের মানু্ষেরাই সাধারণত প্রধান ক্রেতা, কম দামে মাংস কিনতে পেরে সন্তুষ্ঠি দেখা যায় তাদের চোখে-মুখে।

ঈদের দিন বিকালে সরেজমিনে চাষাড়ায় ভ্রাম্যমাণ এসব মাংসের হাটে ক্রেতা-বিক্রেতার বেশ ভিড় দেখা গেছে। লক্ষ্যণীয় ছিল হাটের জমজমাট বেচাকেনাও।

দুপুরের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলা অস্থায়ী বিক্রেতারা মূলত বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কসাই কিংবা ক্ষুদ্র আয়ের মানুষ। এদের অধিকাংশ ঈদ উপলক্ষে মাংস কাটা কিংবা মাংস সংগ্রহের জন্য ঢাকামুখী হয়েছেন।

এসব হাটের ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে প্রতি কেজি মাংসের দাম ১০০ থেকে শুরু করে সাড়ে ৩০০ টাকা পর্যন্ত উঠেছে বলে জানা যায়।

জামতলা থেকে প্রায় চার কেজি মাংস নিয়ে চাষাড়ার অস্থায়ী মাংস বাজারে এসেছেন জাকির হোসেন।

ক্রেতাদের সঙ্গে দরদাম করতে করতে এই ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, “একজনে দিছিল, টাকার জন্য এনে বিক্রি করছি।”

আমলাপাড়া থেকে আগত এক হাজার ৪০০ টাকা দিয়ে সাত কেজি মাংস কিনে বাসায় ফিরছিলেন সিএনজি চালক হাফিজুল।

ঈদে দাম কম থাকার কারণে প্রতিবছর কিনতে আসেন জানিয়ে নারায়ণগঞ্জ বুলেটিনকে তিনি বলেন, “ঠিকায় (অনুমানে) কিনেছি। মেপে দেখি সাত কেজি হইছে। ”

যারা বিভিন্ন বাড়িতে মাংস বানায় কিংবা মাংস চেয়ে আনে তারা এখানে এনে বিক্রি করছে বলে জানান তিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin