গরুর মাংস, কিন্তু ভিডিও ভাইরাল হয়েছিলো কুকুরের মাংস বলে !

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

‘কুকুরের মাংস দিয়ে বিরিয়ানী হয়, কুকুরের মাংস, কুকুরের মাংস বলে স্লোগান দেওয়ার ভাইরাল হওয়ায় ভিডিও মূলত কুকুরের মাংস না। এগুলো ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে আমদানীকৃত বরফ দেওয়া গরুর মাংস।’

৩১ আগস্ট , রোববার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আসলাম হোসেন সত্যতা নিশ্চিত করেন। এছাড়াও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়নি বরং আমদানীকৃত গরুর মাংসের কাগজপত্র যাচাই বাছাই করে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় ফতুল্লা মডেল থানায় একটি সাধারণ ডায়রী করেছে পুলিশ।

ঘটনাস্থলে যাওয়া জিডির বাদী ফতুল্লা মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আশরাফুল ইসলাম বলেন, ‘এগুলো মূলত কুকুরের মাংস নয়। কিন্তু স্থানীয় কয়েকজন আছেন যারা এগুলোকে কুকুরের মাংস বলে ভিডিও করে। এগুলো ভারতের উত্তর প্রদেশ থেকে আমদানীকৃত গরুর মাংস যা নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা সহ বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম দামে বিক্রি করা হয়। আমদানী করা তাই এগুলোতে বরফ দেওয়া থাকে। কিন্তু কিছু মানুষ গরুর মাংস জানার পরও ওই যুবককে হয়রানী করা শুরু করে। মূলত ওই যুবক একজন শ্রমিক মাত্র, সে জানেও না এতে আসলে কিসের মাংস। তার কাজ দোকানে মাংস পৌছে দেওয়া এর মালিক মূলত অন্য আরেকজন। ওইসময় যুবককে কুকুরের মাংস বলে পানিতে ফেলে দেওয়া ও তাকে মারধরের ভয় দেখানো হয়।’

তিনি আরো বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আমরা ওই যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করি। পরে সে জানায় এগুলোর মালিক জসিম উদ্দিন। পরে জসিম উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি আমদানীকৃত গরুর মাংসের যাবতীয় সকল প্রমাণ নিয়ে থানায় হাজির হন। সকল কিছু যাচাই বাছাই করে গরুর মাংস নিশ্চিত হওয়ার পর তাদের দুইজনকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পরে উর্ধ্বতনদের সঙ্গে কথা বলে থানায় জিডি করা হয়েছে। ফতুল্লা মডেল থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, কাউকে আটক করা হয়নি। সাধারণ মানুষের দাবির প্রেক্ষিতে দুইজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তারা জানায় এগুলো গরুর মাংস। পরে তথ্য প্রমাণ পেয়ে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আর সাধারণ মানুষ সেটা বুঝতে পেরে যার যার গন্তব্যে চলে যা

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin