খোরশেদ সবার প্রিয় মুখ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

‘‘নারায়ণগঞ্জ মহাগর যুবদলের সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদের পরিচয় দেয়া লাগে না। এমনিতেই সে বিশ্বব্যাপী পরিচিত। তাকে এমনিতেই সবাই চিনে।’’ ঠিক এমনটাই মনে করেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। আর তাই তার পরিচয় দেয়ার আগে বলেন মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে এমনিতেই আপনারা সবাই চিনেন। তাকে নতুন করে পরিচয় করে দেয়ার মতো কিছু নেই।

জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার পশ্চিম তল্লা বাইতুস সালাত জামে মসজিদে বিস্ফোরণের ঘটনায় আহত ও নিহতদের পরিবারের সদস্যদের আর্থিক সহযোগিতা ও তাদের সান্তনা দেয়ার জন্য বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহানের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল আসে। ৭ সেপ্টেম্বর বিকেলে তারা ঘটনাস্থলে আসেন।

এই প্রতিনিধি দলের মধ্যে ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান ডাক্তার এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য অ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার, যুগ্ম মহা সচিব মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সংসদ সদস্য ও যুগ্ম মহাসচিব হারুনুর রশিদ হারুন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম ও শহিদুল ইসলাম বাবুল সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর ও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস-চেয়ারম্যান মোহাম্মদ শাহজাহান। বক্তৃতা দেয়ার শেষ পর্যায়ে উপস্থিত বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাদের পরিচয় করিয়ে দিতে গিয়ে বিভিন্ন নেতাদের নাম বলে এক পর্যায়ে মোহাম্মদ শাহজাহান বলেন, মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদকে এমনিতেই আপনারা সবাই চিনেন। তাকে সারাদেশের মানুষ চিনে। তাকে নতুন করে পরিচয় করিয়ে দিতে হবে না।

প্রসঙ্গত প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর যুবদলের সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ এখন সারাদেশেই আলোচিত নাম। সারাদেশেই তিনি একজন আইডল হিসেবে পরিণত হয়েছেন। তাকে অনুসরণ করে অনেক জনপ্রতিনিধিই মানব সেবাই নতুন করে আত্মনিয়োগ করতে শিখেছেন। দেশের পাশাপাশি কাউন্সিলর মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বর্হিবিশে^ও আলোচনায় চলে আসেন। দলমত ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে তার মানবসেবা বিশ^ব্যাপী নজর কাড়তে শুরু করেছে। সর্বমহলেই তিনি প্রশংসায় ভাসেন। তাকে নানা উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

জানা যায়, প্রাণঘাতি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের ১৩ নং কাউন্সিলর ও মহাগর যুবদলের সভাপতি মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। মানুষকে সচেতন করা থেকে শুরু করে যাবতীয় কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন তিনি। দল মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের জন্যই একজন নিবেদিত মানুষ হিসেবে কাজ করে যাচ্ছেন তিনি।

নারায়ণগঞ্জে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধির পরেই প্রথমবারের মত হ্যান্ড স্যানিটাইজার তৈরি করে গণমাধ্যমে আলোচনায় চলে আসেন খোরশেদ। ক্যামিস্ট বন্ধুদের সহযোগিতায় উপকরণ ক্রয় করে ৩০ হাজার হ্যান্ড স্যানিটাইজার যখন তৈরির উদ্যোগ নেন তখন নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন এলাকা থেকে লোকজন এসে তাঁর কাছ থেকে কৌশল রপ্ত করতে ভীড় করেন। নিজ কার্যালয়ে বিতরণের পর ওয়ার্ডের সবগুলো এলাকাতে নিজ উদ্যোগে বাড়ি বাড়ি হ্যান্ড স্যানিটাইজার বিতরণ শুরু হয়।

সেই সাথে খোরশেদ ঘোষণা দেন নারায়ণগঞ্জে করোনা উপসর্গ কিংবা এ রোগে কেউ আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করলে দাফনের ব্যবস্থা করবেন। এরপর থেকেই তিনি একের পর এক লাশের কাফন দাফন সম্পন্ন করে চলছেন। নিজ ধর্মালম্বীদের পাশাপাশি অন্য ধর্মালম্বীদেরও লাশের সৎকার করে যাচ্ছেন মাকছুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ। যা নিয়ে দেশের পাশাপাশি বর্হিবিশে^ও আলোচনায় চলে আসে। তাকে নানা উপাধিতে ভূষিত করা হয়। কেউ বলছেন, ‘মানবতার ফেরিওয়ালা’ কেউ বলছেন ‘হিরো অব করোনা’।

মাকসুদল আলম খন্দকার খোরশেদকে নিয়ে স্ট্যাটাস দেন ডাচ রাজনীতিবিদ জোরাম জারন ভ্যান ক্লাভেরেন। তিনি ফ্রিডম পার্টির সদস্য হিসাবে তিনি ২০১০ সালের ১ জুন থেকে ২০১৪ সালের ২১ মার্চ অবধি নেদারল্যান্ডের একজন সংসদ সদস্য ছিলেন।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin