না.গঞ্জ-৩ আসনের এমপি খোকাকে ক্ষমা চাইতে বললেন খোকন সাহা

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক খোকন সাহা বলেছেন, গত ১৭ নভেম্বর ঘটনার পরেও জেলা পরিষদ কোন ব্যবস্থা নেয়নি। আমি বলবো জেলা পরিষদ এতে ব্যর্থ হয়েছেন। আনোয়ার হোসেন আমার বড় ভাই, আমাদের অভিভাবক আমাদের গুরু। তাঁর উপর আঘাতের পর আমাদের সান্তনা দেওয়ার কোন ভাষা নাই।

তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে আনোয়ার ভাইয়ের কোন বিরোধ নাই। কোন মতপার্থক্য নাই। আমি এমপি খোকার প্রতি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি আপনি এখনো ক্ষমা চেয়ে নেন। খোকা সাহেবের প্রেসিডিয়াম সদস্য আপনাদের অভিভাবক আমাদের অভিভাবক সেলিম ওসমান নিজেও আনোয়ার হোসেনকে গুরু বলে শ্রদ্ধা করেন। তাই খোকা সাহেবকে বলো আপনিও ক্ষমা চেয়ে নেন।’

২১ নভেম্বর শনিবার বিকেলে শহরের চাষাঢ়ায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মহানগর আওয়ামী লীগের মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন।

সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের নামফলক ভেঙে দেওয়ার অভিযোগে মহানগর আওয়ামী লীগের ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

জানা যায়, গত ১৭ নভেম্বর নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও) আসনের জাতীয় পার্টির লাঙ্গল প্রতিকের সাংসদ লিয়াকত হোসেন খোকার নির্দেশে সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন স্কুল অ্যান্ড কলেজের মূল ফটকে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ার হোসেনের নামফলক ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ উঠে।

এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা সোনারগাঁ জি আর ইনস্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজে প্রবেশের পরে স্কুলের মূল ফটকের পাশে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেনের নাম দেখে বেশ রাগান্বিত হন। এসময় উপস্থিত শিক্ষকদের উপর চটে যান। আর আনোয়ার হোসেনের নাম কেন লেখা হয়েছে সেটা জানতে চান। আশেপাশের অনেক লোকজন সেখানে জড়ো হন। পরে তিনি চলে গেলে তার অনুগামী সেই ফলক ভেঙে ফেলে।

আর এই ঘটনার পর থেকেই নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা জাতীয় পার্টির সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠতে শুরু করেছেন। তারা লিয়াকত হোসেন খোকাকে কোনোভাবেই ছাড় দিবেন না বরে ঘোষণা দিয়ে আসছেন।

সূত্রঃ নিউজ নারায়ণগঞ্জ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin