খেলা বন্ধ, খাঁ খাঁ করছে না.গঞ্জ ওসমানী স্টেডিয়াম!

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বড় বড় গ্যালারি । সবুজ ঘাস পাশে রাস্তা । মাঝখানে বিশাল খেলার মাঠ। এটি নারায়াণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী ও ব্যস্ততম ওসমানী স্টেডিয়াম ও শামসুজ্জোহা ক্রীড়া কমপ্লেক্স। এখানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো না কোনো খেলা চলতো। মাঠগুলো কখনো ফাঁকা থাকেনি। করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে প্রায় দুই মাস ধরে খেলাধুলা বন্ধ। ফাঁকা পড়ে আছে মাঠ দুইটি।

ফাঁকা মাঠ

জেলা ক্রীড়া সংস্থা সূত্র জানায়, এই মাঠে প্রতিদিনই কোনো না কোনো টুর্নামেন্ট বা লীগের খেলা চলতো। খেলা না থাকলে খেলার প্রশিক্ষণ চলতো। খেলোয়াড়দের সমাগমে মুখরিত থাকত। কিন্তু করোনার কারণে প্রায় দুই মাস ধরে এমন দৃশ্য আর চোখে পড়ে না।

নারায়াণগঞ্জের মাসদাইর এলাকার খেলোয়াড় সাজ্জাদ হোসেন (১৯) বলেন, ‘আগে কলেজ থেকে ফিরে মাঠে খেলতে যেতাম। এটা রুটিন হয়ে গিয়েছিল। এখন সেই রুটিন পাল্টে গেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের ভয়ে খেলাধুলা বন্ধ। এখন বিকেল হলেই খারাপ লাগে। কলেজও বন্ধ। পড়াশোনার ফাঁকে মোবাইলে ফেসবুক চালাই। বন্ধুদের সঙ্গে ফোনে কথা বলি।’


নারায়াণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়ন এর দেলপাড়া এলাকার খেলোয়াড় নাদিফ আহসান (২০)। তিনি বলেন, ‘প্রতিদিন বিকেলে স্টেডিয়াম মাঠে যেতাম। খেলাধুলা করতাম। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিতাম। বিকেল হলেই মাঠে যাওয়ার জন্য মনটা ছটফট করে। কিন্তু করোনাভাইরাসের ভয়ে যেতে পারছি না।’

এছাড়া শহরের কলেজরোড এলাকার খেলোয়ার পিয়াল রহমান (২১) বলেন, ‘আগে খেলাধুলা করতাম, শরীর ভালো থাকতো। মনে উৎসাহ পেতাম। সেই উৎসাহ কাজে লাগিয়ে লেখাপড়া করতাম। দুই মাস ধরে করোনার কারণে বাসায় থেকে যেন অলস হয়ে গেছি। আর ভালো লাগছে না। সারাক্ষণ ভাবছি, কবে করোনা চলে যাবে, আবার খেলতে পারব।’


শহরের গলাচিপা এলাকার সাবেক ক্রিকেটার সুমন রহমান বলেন, ‘আগে কিশোর–তরুণরা খেলাধুলার মধ্যে ডুবে থাকতো। তাদের মধ্যে প্রতিভার বিকাশ ঘটতো। তাদের দ্বারা খারাপ কাজ হতো না। করোনার কারণে এখন খেলাধুলা বন্ধ। কিশোর ও তরুণদের প্রতিভার বিকাশ ঘটছে না।’


এ প্রসঙ্গে গতকাল সোমবার বিকেলে নারায়াণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার এক কর্মকর্তা নারায়াণগঞ্জ বুলেটিনকে বলেন, ‘ নারায়াণগঞ্জ খেলাধুলায় সমৃদ্ধ। এখানকার অনেক খেলোয়াড় ফুটবল ও ক্রিকেটে জাতীয় পর্যায়ে সুনাম অর্জন করেছেন। স্টেডিয়াম মাঠে প্রতিদিনই খেলাধুলা চলতো। করোনার থাবায় সবকিছু বদলে গেল।’

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin