খেলার মাঠে গরু ঢোকায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ব্যাপক সংঘর্ষ

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin


ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে খেলার মাঠে গরু ঢুকে পড়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। রোববার (২৫ জুলাই) দুপুরে উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের রতনপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে ১২ জনকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল ও বাকিদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।


পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গতকাল শনিবার বিকেলে চাতলপাড় ইউনিয়নের রতনপুর খেলার মাঠে পার্শ্ববর্তী ভলাকুট ইউনিয়নের কয়েকজন যুবক ফুটবল খেলছিল। এসময় রতনপুর গ্রামের হুমায়ন মাঠে গরু চরাতে যান। গরুর দড়ি ছিঁড়ে যাওয়াতে গরুটি খেলার মাঝখানে ঢুকে পড়ে। খেলার মাঠে গরু চলে আসায় খেলা বাধাগ্রস্ত হয়। পরে তারা গরুটিকে মাঠ থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ নিয়ে রতনপুর গ্রামের ছাড়ন গোষ্ঠীর হুমায়নের সঙ্গে পাশের গ্রাম ভলাকুট ইউনিয়নের হুনারু গোষ্ঠীর ছুট্টু মিয়া ও মঙ্গল মিয়ার কথা কাটাকাটি হয়।

এক পর্যায়ে হুমায়নকে একা পেয়ে হুনারু গোষ্ঠীর লোকজন মারধর করেন। পরে এ ঘটনার জেরে রোববার (২৫ জুলাই) হুনারু গোষ্ঠীর ও ছাড়ন গোষ্ঠীর লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িতে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২০ জন আহত হন।
এ ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে আহতদের উদ্ধার করে নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে যারা চিকিৎসা নিয়েছেন, তারা হলেন- কামাল (৪৫) হুমায়ন মিয়া (৩২), ফিরোজ মিয়া (৬৫), মোবারক (৩৫), আলমগীর হোসেন (৩৭), মো. এবাদত মিয়া (৩৩), আলামিন (২৭), মো. সালাউদ্দিন (৩৭), সুজন মিয়া (৩২) মোশাররফ (৪০), আব্দুর রহমান (৪৫) ও জিন্নত আলী (৭০)। বাকিদের নাসিরনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ডা. ফায়েজুর রহমান ফয়েজ বলেন, আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হাবিল্লাহ সরকার জানান, সংঘর্ষের ঘটনার পর চাতলপাড় এবং ভলাকুট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানকে বিষয়টি নিষ্পত্তি করার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এ ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই থানায় মামলা দায়ের করেননি।

সূত্রঃ সময় নিউজ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin