ক্ষমা চেয়ে অঝোরে কাঁদলেন জায়েদ খান

শেয়ার করুণ

আসন্ন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নায়ক রিয়াজ ও নাসরিনের কা’ন্নার পর এবার কাঁদলেন জায়েদ খান। আজ রবিবার রাজধানীর একটি কনভেনশন হলে মিশা-জায়েদ প্যানেল পরচিতি সভায় মা নেই, বাবা নেই ও নিজেকে এতিম মন্তব্য করে কেঁদে ফেলেন তিনি।

জায়েদ খান বলেন, আমা’র মা সদ্য মা’রা গিয়েছেন। বাবাকেও হারিয়েছে অনেক আগে। আমি এখন এতিম। এই শিল্পী সমিতিই এখন আমা’র সব। সমিতির সদস্যরাই আমা’র পরিবার। সমিতির সিনিয়র শিল্পীরা আমা’র বাবা-মা। তাই যদি ভালো কাজ করে থাকি আমাকে ভোট দিন। মিশা-জায়েদের পুরো প্যানেলকে জয়যু’ক্ত করুন।

তিনি আরও বলেন, অনেকগুলৌা ভালো কাজের ভিড়ে কিছু ‍ভুল থাকতেই পারে সেগুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আপনারা। এদিকে চলতি মাসের আগামী ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এবার ইলিয়াস কাঞ্চন ও নিপুণ প্যানেলের বিপক্ষে ল’ড়বে মিশা সওদাগর ও জায়েদ খান প্যানেল।

আজ নিজেদের প্যানেল পরিচিত সভায় নিজের বক্তব্যে, বিগত দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন কালে শিল্পীদের উন্নয়নে কি কি কাজ করেছেন তার একটা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন জায়েদ। দাবি করেন তিনি নেতৃত্বে আসার পর থেকেই শিল্পীদের পাশে ছিলেন এবং থাকতে চান।

আজ নিজেদের প্যানেল পরিচিত সভায় নিজের বক্তব্যে, বিগত দুই মেয়াদে সাধারণ সম্পাদকদের দায়িত্ব পালন কালে শিল্পীদের উন্নয়নে কি কি কাজ করেছেন তার একটা সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেন জায়েদ। দাবি করেন তিনি নেতৃত্বে আসার পর থেকেই শিল্পীদের পাশে ছিলেন এবং থাকতে চান।

এ সময় জায়েদ বলেন, শিল্পী সমিতির আমূল পরিবর্তন এনেছে আমা’র বিগত কমিটি। সমিতিকে করেছি নান্দনিক। আমাদের এই কমিটি না এলে শিল্পী সমিতি আবার অকৃজ হয়ে পড়বে। আম’রা যেভাবে সাজিয়েছি সমিতিকে সে সমিতি আবার জৌলুস হারাবে।

আম’রা তো শিল্পীদের পাশে সবসময় থেকেছি। এই করো’নার মহামা’রির মধ্যে যে সম্মানীতি শিল্পী মা’রা গেছেন তাদের লা’শ মৃ’ত্যুকে ভ’য় না করে আমি আর মিশা ভাই দাফনের ব্যবস্থা করেছি। প্রধানমন্ত্রী থেকে শিল্পীদের কল্যাণে ফান্ড এনেছি। তাই আমাগীতেও আমাদের শিল্পীদের পাশে থাকার সুযোগ দিন।

নিউজটি শেয়ার করুণ