কোভিড-১৯ এর ছোবলে নীল এয়ারএশিয়া

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

বিভিন্ন দেশের সরকার কর্তৃক চলাচলে নিষেধাজ্ঞায় বৃহৎ প্রান্তিকীয়নভেল করোনাভাইরাস মোকাবেলায় লোকসানে পড়েছে এয়ারএশিয়া। খবর ব্লুমবার্গ। মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দেখা যায়, জুনের ৩০ তারিখে শেষ হওয়া দ্বিতীয় প্রান্তিকে ৯৯ কোটি ২৯ লাখ রিঙ্গিত নিট লোকসান গুনেছে দক্ষিণপূর্ব এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম উড়োজাহাজ সংস্থাটি।

 তার বিপরীতে গত বছরের একই প্রান্তিকে উড়োজাহাজ সংস্থাটির মুনাফা হয়েছিল ১ কোটি ৭৩ লাখ রিঙ্গিত। টিকিট বিক্রি ৯৬ শতাংশ কমে মাত্র ১১ কোটি ৯০ লাখ রিঙ্গিতে দাঁড়িয়েছে। এয়ারএশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) টনি ফার্নান্দেজ বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগের জন্য কথা চালিয়ে যাচ্ছেন।

একই সঙ্গে বিভিন্ন সহযোগিতামূলক চুক্তির মাধ্যমে অতিরিক্ত বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে ব্যাংকঋণ ও অন্যান্য মূলধন সংগ্রহ প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখছেন বলে জানা গেছে। বেশির ভাগ দেশ তাদের সীমান্ত বন্ধ রাখায় এবং তাদের নাগরিকদের চলাচল সীমিত করে দেয়ায় বিশ্বজুড়ে উড়োজাহাজ সংস্থাগুলোকে তাদের হাজারো উড়োজাহাজ গ্রাউন্ডেড করে রাখতে হয়েছে।

 ইন্টারন্যাশনাল এয়ার ট্রান্সপোর্ট অ্যাসোসিয়েশন (আইএটিএ) বলছে, আকাশসেবা খাত ২০২৪ সালের আগে মহামারীপূর্ব সময়ের মাত্রায় পৌঁছতে পারবে না। আঞ্চলিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে কিছুটা আরোগ্য লাভের নিশানা দেখা গেলেও আন্তঃমহাদেশীয় ফ্লাইট এখনো বেশ দুর্বল রয়েছে। প্রায় এক মাস বন্ধ রেখে গত এপ্রিল থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু করেছিল মালয়েশিয়ায়ভিত্তিক এয়ারএশিয়া।

তবে গত প্রান্তিকে যে লোকসানে পড়েছে, তার জন্য সামনের দিনগুলোয় কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাওয়া অনেক বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। ৩০ জুন নাগাদ এয়ারএশিয়ার হাতে নগদ অর্থ ছিল ৯৯ কোটি ৬১ লাখ রিঙ্গিত। তার বিপরীতে এক বছর আগে উড়োজাহাজ সংস্থাটির হাতে নগদ অর্থ ছিল ২৫৯ কোটি রিঙ্গিত।

 

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin