কুতুবপুরে আবারো সেন্টু নাকি নবাগত মোস্তফা?

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ঘনিয়ে আসছে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। প্রস্তুতি নিতে শুরু করছেন জেলার ইউনিয়নগুলোর সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। তারই ধারাবাহিকতায় বসে নেই ফতুল্লার অন্যতম ইউনিয়ন কুতুবপুরের প্রার্থীরা। কৌশলে প্রচার শুরু করেছেন তারা। সংসদ সদস্যসহ জেলার প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সাথে যোগাযোগ বাড়াচ্ছেন প্রার্থীরা।

কুতুবপুরে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা গেলেও মূল প্রতিদ্বন্দ্বীতা হতে পারে বর্তমান চেয়ারম্যান মনিরুল আলম সেন্টু ও ফতুল্লা থানা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি মোস্তফা কামালের মধ্যে। আসন্ন নির্বাচনে তাদের মধ্যে যে কেউ পড়তে পারেন বিজয়ের মালা। দুজন প্রার্থীরই নির্বাচনে জয়ী হওয়া নির্ভর করছে কতগুলো শর্তের উপর।

মনিরুল আলম সেন্টু দীর্ঘ ১৮ বছরেরও বেশি সময় ধরে চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন কুতুবপুর ইউনিয়নে। সাবেক এই বিএনপি নেতা গত নির্বাচনে নৌকা মার্কার প্রার্থীকে পরাজিত করে টানা তিনি তৃতীয়বারের মতো চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন৷ ২০১৬ সালে অনুষ্ঠিত ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদ পেয়েই তিনি ভোটযুদ্ধে জয়ী হন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। সেন্টুর এই বিজয়ে বিব্রত হতে হয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগকে। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পরাজয় নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বলে ওই সময় প্রথম সারির জাতীয় গণমাধ্যমগুলোতে উঠে আসে। মেয়র আইভীসহ অনেকেই এই নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তাদের বিরোধী পক্ষের লোকেদের একহাত নিয়েছেন।

এবারও সেই বিশেষ মহলের আশীর্বাদপুষ্ট হয়ে যেকোনো মূল্যে নির্বাচন করতে মুখিয়ে আছেন সেন্টু৷ তবে স্থানীয় এমপির আশীর্বাদ না পেলে এবার তাকে বরন করতে হতে পারে পরাজয়ের গ্লানি। প্রভাবশালী সাংসদ শামীম ওসমানের আশীর্বাদ এবার তিনি পাবেন কিনা, সেটিই দেখার বিষয়।শামীম ওসমানের নির্বাচনী এলাকা হওয়ায় চেয়ারম্যান নির্বাচনের ক্ষেত্রে সাংসদের প্রচ্ছন্ন এক ভূমিকা থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

অপরদিকে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মোস্তফা কামাল মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে জোর প্রচার রয়েছে৷ ইতিমধ্যেই তিনি সরকারে উপরের মহলে তদবীরের পাশাপাশি তৃনমূল পর্যায়ে যোগাযোগ করে নির্বাচনী প্রচারনা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে হাইকমান্ড থেকে নির্বাচনী গ্রিন সিগন্যাল মিলেছে বলে শোনা যাচ্ছে। আসন্ন এই নির্বাচনে তিনি নৌকার প্রার্থী হলেও অবাক হবার কিছুই নেই ৷

এছাড়া নির্বাচনের দৌড়ে আছেন
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জসিম উদ্দিন, স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি আলাউদ্দিন হাওলাদার, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল খালেক। কুতুবপুরের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রসুলের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত মনিরুল আলম সেন্টু এবং মোস্তফা কামালের মধ্যেই হবে মুল নির্বাচনী লড়াই। তাদের মধ্যকার যে কোন একজন হতে পারে কুতুবপুরের আগামী দিনের অবিভাবক। কে হচ্ছে আগামীদিনের অবিভাবক সেটা জানতে হলে অপেক্ষা করতে হবে আরো কিছুদিন। নির্বাচনের প্রচার প্রচারণা শুরু হলেই হয়তো আচ করা যাবে আগামী দিনের অবিভাবক কে হচ্ছেন তা নিয়ে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin