কি কি কারনে টার্গেট শামীম ওসমান?

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

শামীম ওসমান শুধু নারায়ণগঞ্জের রাজনীতিতে নয়, বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা অন্যতম চরিত্র। তাই বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন কারণে তাকে মিডিয়ার শিরোনাম হতে হয়। তবে এবার তিনি নিজেই জানালেন কী কারণে তিনি টার্গেটে পরিণত হয়েছেন।
 
সম্প্রতি একটি টেলিভিশন চ্যানেলের আধঘন্টা’র গল্প নামের এক অনুষ্ঠানে তিনি তার প্রতি টার্গেটের তিনটি কারণের কথা উল্লেখ করেন। কারণগুলো হলো- অধ্যাপক গোলাম আজমকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্চিত ঘোষণা করা, খালেদা জিয়ার লং-মার্চে বাধা দেয়া এবং টানবাজারের নিষিদ্ধ পল্লী উচ্ছেদ করা।
 
এবিষয়ে তিনি বলেন, নাগরিকত্ব পাওয়ার আগে অধ্যাপক গোলাম আজম যখন দেশে আসে তখন সে নারায়ণগঞ্জে অবস্থান করেছিল। যার বাসায় অবস্থান করেছিল ২০০১ সালে আমার উপর বোমা হামলার নায়কও ছিল সে। 

তখন জাহানারা ইমামের নেতৃত্বে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির ৬৫জন বুদ্ধিজীবীসহ যখন আন্দোলন করছিলেন, তখনকার একটি ঘটনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, জাহানারা ইমাম আমাকে বলেছিলেন ‘দেশটার ক্যান্সার হয়েছে, দেশটাকে বাঁচাও’। 

সে কথাটা মনে রেখেই আমরা ক্ষমতায় আসার পর গোলাম আজমকে নারায়ণগঞ্জে অবাঞ্চিত ঘোষণা করলাম। তখন গোলাম আজম আমীরের পদ ছেড়ে নিজামীকে দিলেন। তাই আমি টার্গেটে।
 
লং-মার্চ এর বিষয়ে তিনি বলেন, লং-মার্চ অবশ্যই আমি ঠেকিয়েছি। তবে তা বন্ধ করে দেইনি। শুধু তাদের আটকিয়ে সময়টা পিছিয়ে দিয়েছি। 

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, তখন গোয়েন্দাদের মাধ্যমে একটা খবর ছিল ফেনীতে কোন এক জায়গায় যাওয়ার পর বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার গাড়ির বহরের কয়েকটা গাড়ির পিছনে দুইটি বাসের মধ্যে ৬৫জন মাটি কাটার লেবার থাকবে সেই বাসটি উড়িয়ে দেয়া হবে। 

তখন বলা হবে খালেদা জিয়ার উপর হামলা হয়েছে। সারা দেশে একটা অরাজকতার সৃষ্টি হবে এবং সেই সুযোগে ক্ষমতার রদ-বদল করা হবে। আমি ঘটনাটা শুনেই বলেছি আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যতের চেয়েও এই ৬৫জন লোকের দাম অনেক বেশী। 

তাই আমি লং-মার্চ আটকে দিয়েছি। এই ঘটনায় কয়েকশত কোটি টাকার বাজেট ছিল। আমার কারণে তাদের সেই বাজেটটা নষ্ট হলো। তাই আমি টার্গেটে।
 
নারায়ণগঞ্জের নিষিদ্ধ পল্লী উচ্ছেদের বিষয়ে তিনি বলেন, আমি আল্লাহর ঘর কাবা ছুঁয়ে কসম করেছিলাম এটাকে আমি পূনর্বাসন করবো। আমি তখন একটা মেয়েকে সেখান থেকে উদ্ধার করতে গিয়েছিলাম। 

আর পাঁচ মিনিট দেরী হলে তার ইজ্জত আর থাকতো না। তখন সেই পল্লীটা বন্ধ করার বিষয় আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানালাম, এমনকি সেখানে অনেক শক্তিশালী দেশ থেকেও বাধা আসবে বলেও আমি জানালাম। 

তখন প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন, ভাল কাজ করতে গেলে বাধা আসবেই আর আল্লাহর কাজ করতে গেলে আরো বেশী বাধা আসবে। সুতরাং তুমি তোমার কাজ করো। 

এখানে খুবই দুঃখের বিষয় যে, সেখানে ১২ থেকে ১৩ হাজার মেয়ে ছিল তাদের মধ্যে প্রায় সাড়ে চার হাজারের বেশী মেয়ে ছিল যাদের বয়স ১১ বছর বয়সেরও নিচে।

তিনি জানান, এই তিনটি বিষয়কে টার্গেট হয়ে তাকে হত্যা করার চেষ্টায় চাষাঢ়া বোমা হামলা পর্যন্ত করা হয়েছে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin