কাশ্মীর সীমান্তে ভারত-পাকিস্তান উত্তেজনা, ব্যবহার হচ্ছে দূরপাল্লার কামান

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

ভারত-পাকিস্তানের কাশ্মির সীমান্তে আবার উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত থেকেই গোলাগুলির খবর ছড়িয়ে পড়ে স্থানীয় গনমাধ্যমে। বৃহস্পতিবার গুলির আঘাতে তিনজন ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছে বলে জানা যায়। বৃহস্পতিবার রাতে গুলি, মর্টারের পাশাপাশি দূরপাল্লার কামানের ব্যবহারও শুরু হয়ে গিয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনার সূত্রপাত।

ভারতীয় সেনা বাহিনীর অভিযোগ, বুধবার রাত থেকেই যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তান প্রথম এলওসি বা লাইন অফ কন্ট্রোলে গুলি চালাতে শুরু করে। ছোড়া হয় মর্টার। তারপরই ভারত পাল্টা জবাব দিতে শুরু করে।বৃহস্পতিবার সকালে কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার নওগাম সেক্টরে পাক মর্টারে নিহত হন দুই ভারতীয় সেনা। অন্য দিকে পুঞ্চ সেক্টরে আরো এক সেনার মৃত্যু হয়। পাঁচ জন ভারতীয় সেনা আহত হন।

এরপরেই ভারত আক্রমণের মাত্রা বাড়িয়ে দেয় বলে জানা যায়। পাল্টা আঘাত করে পাকিস্তানও।বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারত জানিয়েছিল, তিন সেনার প্রাণের জবাব দেয়া হবে পাকিস্তানকে। বস্তুত তার পর থেকেই গোলাগুলির পরিমাণ অনেক বেড়েছে। পাকিস্তানও একইভাবে দূরপাল্লার কামান ব্যবহার করছে।

তবে পাকিস্তানের দিকে এখনো কোনো হতাহতের খবর জানা যায়নি। লাদাখে চীনের সঙ্গে ভারতের সংঘাত এখনো মেটেনি। কোনো সমাধানসূত্রও পাওয়া যায়নি। তারই মধ্যে পাকিস্তানের সঙ্গে নতুন করে তৈরি হওয়া এই সংঘাত নতুন মাত্রা যোগ করেছে প্রতিবেশী এই দুই দেশের মধ্যে।

বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, কার্গিল যুদ্ধের পরে এত বেশি সময় ধরে কামান বা আর্টিলারি ফায়ার ভারত-পাক সীমান্তে হয়নি। চীনের সাথে ভারতের লাদাখ সীমান্তের সংকটের মাঝে দিল্লিকে আরো চাপে রাখতে এই কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে ইসলামাবাদ। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের ধারনা কাশ্মীরা সীমান্তের এই উত্তেজনা প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যকার চরম বৈরী সম্পর্কের আরো অবনতি ঘটাবে।

সূত্রঃ ডয়চে ভেলে

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin