কাশিপুরে প্রেমিকার দাবী নিয়ে দুই কিশোর গ্যাংয়ের মারামারি

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

কাশিপুর ইউনিয়নের বাংলা বাজার এলাকার উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক মেয়েকে দুই ছেলের প্রেমিকা দাবী করে দুই কিশোর গ্যাংবাহিনী ঝগড়ায় লিপ্ত হয়েছ। তবে পুলিশের দাবি টিকটক করা নিয়ে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারি হয়েছে।

গত মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) কাশিপুর ইউনিয়নের বাংলা বাজার এলাকার উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে এক মেয়েকে দুই ছেলে প্রেমিকা দাবি করে। এ নিয়ে তাদের মধ্যকার দ্বন্দ্ব গড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মাঝে। তবে ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশ প্রশাসন বলছে এখানে এক গ্রুপ টিকটক করতে আসে তাদের পরিচয় জানতে চেয়ে দুই পক্ষের মাঝে তর্ক-বিতর্ক তৈরী হয়। টিকটক করা নিয়ে তাদের মাঝে ঝগড়া হয়।

স্থানীয়রা জানান, দেওভোগ নূর মসজিদ এলাকার ফারুক মিয়ার ছেলে নাসির , কাশিপুর গাঙ্গুলি বাড়ি জাহাঙ্গীরের ছেলে সাব্বির এবং মিলন মিয়ার বাসার ভাড়াটিয়া শাহি গ্রুপের সাথে কাশিপুর আমবাগান এলাকার আলিফের সাথে বাকবিতন্ডতা লাগে। নাসির গ্রুপের কয়েকজন সদস্য এই খানে এসে উজির আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের সামনে দাড়িয়ে থেকে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করে।

স্কুল সময়ে তারা এখানে এসে দাঁড়িয়ে থাকে। আর আলিফ তারা এখানে এসে কি করে তা জানতে চাইলে দুই এক কথায় তারা বাকবিতণ্ডে জড়িয়ে পরে। নাসির গ্রুপের লোকজন আলিফকে কিল-ঘুষি মেরে আহত করে ফেলে। পরে তাকে এলাকাবাসী উদ্ধার করে ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে পাঠান।

এই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, উজির স্কুলের সামনে প্রতিদিন কয়েকটি গ্রপ এসে আড্ডা দেয়। আর এতে করে ছাত্রীরা অনেকটা বিব্রতবোধ অনুভব করেন। অভিভাবকদের অভিযোগ রয়েছে এখানে বখাটে ছেলেরা গ্রুপ হয়ে দাঁড়িয়ে থেকে মেয়েদের বিভিন্ন কথা বলে ইভটিজিং করেন। তাদের কেউ কিছু বলতে গেলে তখন এই উঠতি বয়সের ছেলেরা ওই মানুষের উপর আগ্রাসী হয়ে গালাগালি করেন। ফতুল্লা মডেল থানার পুলিশের টিম এসে পরিবেশ শান্ত করেন।

ফতুল্লা মডেল থানার এস আই নজুরুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে তেমন একটা উত্তেজনা পরিবেশ পাই নাই। ঘটনাস্থল থেকে স্থানী মানুষ ৩ জন উঠতি বয়সি ৩ জন ছেলেকে আমাদের কাছে সোপর্দ করেন। এই তিন ছেলে অন্য এলাকা থেকে এখানে টিক টক করতে আসে বলে তারা জানান। তবে মারামারি বা আহত বিষয়ে আমরা কিছু জানতে পারিনি।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin