কাশিপুরের আলোচিত শরীফ হত্যা মামলার রায় সোমবার

শেয়ার করুণ

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin
Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin

নারায়াণগঞ্জ বুলেটিনঃ জেলার সদর উপজেলার কাশিপুরের চাঞ্চল্যকর শরীফ মাদবর হত্যা মামলার শুনানি হতে পারে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি। এই মামলায় ইতোমধ্যে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ২৯ জনকে অভিযুক্ত করে পৃথক দুটি চার্জশিট আদালতে দাখিল করেছে।

অভিযুক্তরা হচ্ছেন, শাকিল ওরফে বড় শাকিল, লালন, লিমন ওরফে রিমন, শাকিল ওরফে ছোট শাকিল, রাব্বি, সম্রাট, শাহিন, ইসমাইল, রবিন, দিপু, ওসমান ওরফে জীবন, সোহাগ, রকি, রাসেল, মেহেদী হাসান, লিমন, রাসেল, রাজু, দেলোয়ার, আসিফ, আশিক দেওয়ান, মিজান, আল-আমিন, হৃদয়, মাহবুব, সাগর ও আসাদ।

এছাড়াও চার্জশিটে তিনজনকে অপ্রাপ্ত হিসেবে নূর মোহাম্মদ (১৫), আবুল কালাম ও কমল মিয়াকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।এছাড়াও সাজ্জাদ ও রানাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার আবেদন করা হয়েছে।

গত বছরের ২২ জুন আদালতে এই চার্জশিট দাখিল করেন, পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) ইন্সপেক্টর মো. শাহজাজান মিয়া। যার নং ৩৭২ ও ৩৭২ (ক)। এখানে সাক্ষী দেখানো হয়েছে ৩৬ জনকে। আদালতে চার্জশিটটি গৃহিত হয়েছে চলতি বছরের ২৬ জানুয়ারি।

সূত্র জানায়, শরীফ মাদবর হত্যা মামলায় অভিযুক্ত ১৬ আসামী উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিনে ছিলেন। তাদের জামিন মেয়াদ শেষ। আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি এই ১৬ আসামীর নিন্ম আদালতে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ২০২০ সালের ১লা এপ্রিল সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে পশ্চিম দেওভোগ আদর্শ নগর এলাকার শ্যামলের গ্যারেজে পূর্বশত্রুতার জের ধরে শরীফ মাদবরকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করে একদল দুর্বৃত্ত। এ ঘটনায় শরীফ মাদবরের পিতা আলাল মাদবর একই দিন ফতুল্লা মডেল থানায় ১১ জনের নাম উল্লেখ করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার নং ০২ (০৪) ২০২০। এই মামলায় ইসমাইল, রাসেল, লিমন ও আশিক নামে গ্রেফতার চার আসামী ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করে।

আলোচিত শরীফ মাদবর হত্যা মামলাটি প্রথমে তদন্ত শুরু করেন ফতুল্লা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহদাত হোসেন। তিনি ২০২০ সালের ৩০ জুন আদালতে চার্জশিটও দাখিল করেছিলেন। তবে, বাদী আলাল মামদবর এই চার্জশিটের বিরুদ্ধে নারাজি আবেদন দাখিল করেন। পরে মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়। মামলার তদন্তভার ন্যস্ত করা হয় সিআইডির ইন্সপেক্টর মো. শাহজাহান মিয়াকে। সিআইডির তদন্তের পর আবারও আদালতে উঠতে যাচ্ছে আলোচিত এই মামলা। ভুক্তভোগী পরিবারের আশাবাদ এবারের তদন্ত প্রতিবেদনে প্রকৃত অপরাধীদের নাম আসবে। এবং আদালত তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করবে।

Share on facebook
Share on twitter
Share on linkedin